রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল ও আরমানিটোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শামীম আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) কায়েতটুলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শামীমকে দুইটি মানুষের কঙ্কালসহ আটক করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত দুই দিনে পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার শামীম আহমেদের বাড়ি বংশালের লালপুর নয়াবাজার এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আরমানিটোলা ও নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মোট চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামীম মানুষের কঙ্কাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আরমানিটোলায় তার বাসা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, শামীম আগে মিটফোর্ড হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি কঙ্কালের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া কঙ্কালের উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল ও আরমানিটোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শামীম আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) কায়েতটুলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শামীমকে দুইটি মানুষের কঙ্কালসহ আটক করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত দুই দিনে পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার শামীম আহমেদের বাড়ি বংশালের লালপুর নয়াবাজার এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আরমানিটোলা ও নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মোট চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামীম মানুষের কঙ্কাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আরমানিটোলায় তার বাসা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, শামীম আগে মিটফোর্ড হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি কঙ্কালের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া কঙ্কালের উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন