পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বিভিন্ন সারের দোকানে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এলাকার সাধারণ কৃষকরা। সরকার নির্ধারিত সারের দাম ও বাজারে বিক্রিত দামের মধ্যে বড় ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান— ডিএপি সারের সরকারি মূল্য ১০৪০ টাকা হলেও অনেক ডিলার ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন; টিএসপি সারের সরকারি মূল্য ১৩৫০ টাকা, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকাতে; এমওপি (পটাশ) সারের সরকারি মূল্য ১০০০ টাকা, যা নেওয়া হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য ১৩৫০ টাকা হলেও বাজারে নেওয়া হচ্ছে ১৮০০ টাকা।
কৃষকদের অভিযোগ, অতিরিক্ত দামে সার কিনে তাঁদের উৎপাদন ব্যয় কয়েকগুণে বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সারের দাম সরকার ঠিক করে দিলেও মাঠপর্যায়ে তা মানা হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। এতে আমাদের চাষাবাদের খরচ বাড়ছে, লোকসানের ঝুঁকিও বাড়ছে।" তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয়ে কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি অভিযান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে অভিমত সাধারণ মানুষের।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫
পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বিভিন্ন সারের দোকানে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এলাকার সাধারণ কৃষকরা। সরকার নির্ধারিত সারের দাম ও বাজারে বিক্রিত দামের মধ্যে বড় ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান— ডিএপি সারের সরকারি মূল্য ১০৪০ টাকা হলেও অনেক ডিলার ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন; টিএসপি সারের সরকারি মূল্য ১৩৫০ টাকা, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকাতে; এমওপি (পটাশ) সারের সরকারি মূল্য ১০০০ টাকা, যা নেওয়া হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য ১৩৫০ টাকা হলেও বাজারে নেওয়া হচ্ছে ১৮০০ টাকা।
কৃষকদের অভিযোগ, অতিরিক্ত দামে সার কিনে তাঁদের উৎপাদন ব্যয় কয়েকগুণে বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সারের দাম সরকার ঠিক করে দিলেও মাঠপর্যায়ে তা মানা হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। এতে আমাদের চাষাবাদের খরচ বাড়ছে, লোকসানের ঝুঁকিও বাড়ছে।" তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয়ে কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি অভিযান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে অভিমত সাধারণ মানুষের।

আপনার মতামত লিখুন