পটুয়াখালীর গলাচিপায় অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ডে এক অসহায় রিকশাচালকের টিন ও কাঠের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৩ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়া গ্রামের বউবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আগুনে রিকশাচালক চান মিয়া মোল্লার (৫০) ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ পুরো ঘর পুড়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চান মিয়া মোল্লা পেশায় একজন রিস্কাচালক প্রতিদিনের মতো রিকশা চালাতে বাইরে গিয়াছিলেন। তার স্ত্রী মাহিনুর বেগম পাশের বাড়ির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যান। এ সময় ফাঁকা ঘরে হঠাৎ আগুন লাগে। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে ছুটে এসে নেভানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। চান মিয়ার একমাত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই সম্পূর্ণ আগুনে পুড়ে ছাই।
প্রতিবেশীরা জানান, জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে অনেক কষ্টে ঘরটি নির্মাণ করেছিলেন চান মিয়া। তিন মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর স্ত্রীকে নিয়ে ওই ঘরেই বসবাস করছিলেন তিনি। আগুনে সব হারিয়ে এখন দিশেহারা পরিবারটি।
আমখোলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নারায়ণ বলেন, "অগ্নিকাণ্ডে অসহায় পরিবারটির কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তারা এখন মানবতার জীবন যাপন করছেন ।
আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বা অন্য কোনভাবে আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে।"
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আবেদন করলে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।”

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপায় অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ডে এক অসহায় রিকশাচালকের টিন ও কাঠের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৩ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়া গ্রামের বউবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আগুনে রিকশাচালক চান মিয়া মোল্লার (৫০) ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ পুরো ঘর পুড়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চান মিয়া মোল্লা পেশায় একজন রিস্কাচালক প্রতিদিনের মতো রিকশা চালাতে বাইরে গিয়াছিলেন। তার স্ত্রী মাহিনুর বেগম পাশের বাড়ির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যান। এ সময় ফাঁকা ঘরে হঠাৎ আগুন লাগে। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে ছুটে এসে নেভানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। চান মিয়ার একমাত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই সম্পূর্ণ আগুনে পুড়ে ছাই।
প্রতিবেশীরা জানান, জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে অনেক কষ্টে ঘরটি নির্মাণ করেছিলেন চান মিয়া। তিন মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর স্ত্রীকে নিয়ে ওই ঘরেই বসবাস করছিলেন তিনি। আগুনে সব হারিয়ে এখন দিশেহারা পরিবারটি।
আমখোলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নারায়ণ বলেন, "অগ্নিকাণ্ডে অসহায় পরিবারটির কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তারা এখন মানবতার জীবন যাপন করছেন ।
আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বা অন্য কোনভাবে আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে।"
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আবেদন করলে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন