ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট পরিদর্শন করেছেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ক্লিনটন পবকে। পরিদর্শনকালে তিনি সিটিটিসি প্রধান মো. মাসুদ করিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সোমবার সকালে সিটিটিসি কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে উভয় পক্ষ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তথ্য বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, উদীয়মান নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং সেগুলো মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর বিশেষভাবে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা আরও কার্যকর করা প্রয়োজন।
অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধি ক্লিনটন পবকে বাংলাদেশ পুলিশ ও সিটিটিসির সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এতে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করা হয় এবং এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে। সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে যৌথভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও গভীর করবে এবং জঙ্গিবাদ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বিষয় : হাইকমিশন

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট পরিদর্শন করেছেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ক্লিনটন পবকে। পরিদর্শনকালে তিনি সিটিটিসি প্রধান মো. মাসুদ করিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সোমবার সকালে সিটিটিসি কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে উভয় পক্ষ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তথ্য বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, উদীয়মান নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং সেগুলো মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর বিশেষভাবে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা আরও কার্যকর করা প্রয়োজন।
অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধি ক্লিনটন পবকে বাংলাদেশ পুলিশ ও সিটিটিসির সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এতে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করা হয় এবং এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে। সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে যৌথভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও গভীর করবে এবং জঙ্গিবাদ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন