চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকায় ট্রাকের চাপায় আতিক নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দর্শনা রেলক্রসিং এলাকায় এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আতিক খুলনা শহরের বাসিন্দা জামিল হোসেনের ছেলে। নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে এমন মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হয় সে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে আতিক তার মামা ও সমবয়সী আরেক শিশুর সঙ্গে দর্শনার মোবারকপাড়ায় অবস্থিত নানাবাড়ি থেকে ঘুরতে বের হয়। একপর্যায়ে তারা দর্শনা রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছে রাস্তার পাশে খেলছিল। এ সময় দর্শনা থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী একটি দ্রুতগামী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিশুটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি চোখের সামনে ঘটে যাওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেসবাহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে, সন্তানের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, রাস্তার পাশে খেলতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে, যা তাদের জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে থাকবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে আবাসিক ও জনবহুল এলাকায় দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকায় ট্রাকের চাপায় আতিক নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দর্শনা রেলক্রসিং এলাকায় এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আতিক খুলনা শহরের বাসিন্দা জামিল হোসেনের ছেলে। নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে এমন মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হয় সে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে আতিক তার মামা ও সমবয়সী আরেক শিশুর সঙ্গে দর্শনার মোবারকপাড়ায় অবস্থিত নানাবাড়ি থেকে ঘুরতে বের হয়। একপর্যায়ে তারা দর্শনা রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছে রাস্তার পাশে খেলছিল। এ সময় দর্শনা থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী একটি দ্রুতগামী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিশুটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি চোখের সামনে ঘটে যাওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেসবাহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে, সন্তানের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, রাস্তার পাশে খেলতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে, যা তাদের জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে থাকবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে আবাসিক ও জনবহুল এলাকায় দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন