মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে একটি নির্মাণ সাইটের গেস্টহাউসে শুক্রবার ভোরে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাত বাংলাদেশি কর্মী গুরুতর দগ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়, যাদের একজন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তাজউদ্দিন ইসলাম (২৫)।
নিহত তাজউদ্দিন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন হাজিরপাড়া ইউনিয়নের আলাদাদপুর গ্রামের আবুল কাশেমের একমাত্র ছেলে। তার চারজন বোন রয়েছেন। মৃত্যুর সময় তার ঘরে রয়ে গেছে মাত্র চার মাস বয়সী একটি কন্যাশিশু। পরিবারের এই করুণ পরিচয় নিশ্চিত করেছেন তার খালাতো ভাই আব্দুল খালেক।
আব্দুল খালেক জানান, সংসারের ঘানি টানতে এবং ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা ঋণ করে প্রায় আট মাস আগে মালদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিলেন তাজউদ্দিন। সেখানে তিনি একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করতেন। স্বপ্নের পথে বেরিয়ে যাওয়া এই তরুণ আর ফিরে আসবেন না, এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারছে না পরিবার।
দুর্ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, শুক্রবার ভোরে দিগুড়া আইল্যান্ডের ওই নির্মাণ সাইটের গেস্টহাউসে হঠাৎ বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় গেস্টহাউসের ভেতরে থাকা সাত বাংলাদেশি কর্মী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও একে একে পাঁচজন মারা যান।
নিহত পাঁচজন হলেন মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম, তাজউদ্দিন ইসলাম এবং মো. নুর নবী সরকার। এ ছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন। তাদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে একটি নির্মাণ সাইটের গেস্টহাউসে শুক্রবার ভোরে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাত বাংলাদেশি কর্মী গুরুতর দগ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়, যাদের একজন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তাজউদ্দিন ইসলাম (২৫)।
নিহত তাজউদ্দিন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন হাজিরপাড়া ইউনিয়নের আলাদাদপুর গ্রামের আবুল কাশেমের একমাত্র ছেলে। তার চারজন বোন রয়েছেন। মৃত্যুর সময় তার ঘরে রয়ে গেছে মাত্র চার মাস বয়সী একটি কন্যাশিশু। পরিবারের এই করুণ পরিচয় নিশ্চিত করেছেন তার খালাতো ভাই আব্দুল খালেক।
আব্দুল খালেক জানান, সংসারের ঘানি টানতে এবং ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা ঋণ করে প্রায় আট মাস আগে মালদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিলেন তাজউদ্দিন। সেখানে তিনি একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করতেন। স্বপ্নের পথে বেরিয়ে যাওয়া এই তরুণ আর ফিরে আসবেন না, এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারছে না পরিবার।
দুর্ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, শুক্রবার ভোরে দিগুড়া আইল্যান্ডের ওই নির্মাণ সাইটের গেস্টহাউসে হঠাৎ বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় গেস্টহাউসের ভেতরে থাকা সাত বাংলাদেশি কর্মী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও একে একে পাঁচজন মারা যান।
নিহত পাঁচজন হলেন মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম, তাজউদ্দিন ইসলাম এবং মো. নুর নবী সরকার। এ ছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন। তাদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন