জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত। বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও তিনি তা আমলে না নেওয়ার আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে যে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানার জাংগিরাই গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র জালাল হোসেন এই মামলার আবেদনটি করেছিলেন। তিনি আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি এবং আন্দোলনের আরেক পরিচিত মুখ আব্দুল কাদেরকে দ্বিতীয় আসামি করে একটি তালিকা পেশ করেন। অভিযোগের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা ও দীর্ঘ শুনানির পর বিচারক এই আবেদনটি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
মামলার আসামিদের তালিকায় জুলাই আন্দোলনের আরও বেশ কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এদের মধ্যে রয়েছেন আবু বাকের মজুমদার, আব্দুল হান্নান মাসউদ, উমামা ফাতেমা, রিফাত রশিদ, হাসিব আল ইসলাম, নুসরাত তাবাসসুম এবং তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী প্রমুখ। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পথ রুদ্ধ হয়ে গেল।
এই মামলার বিষয়ে দ্বিতীয় আসামি আব্দুল কাদের তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তাকে একটি মামলায় দুই নম্বর আসামি করা হয়েছিল এবং সে সময় তাকে জেল খাটতে হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও একই অবস্থানে নিজের নাম দেখে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালত প্রাঙ্গণে এই সংবাদটি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়। মামলার বাদীপক্ষ এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কি না সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত। বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও তিনি তা আমলে না নেওয়ার আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে যে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানার জাংগিরাই গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র জালাল হোসেন এই মামলার আবেদনটি করেছিলেন। তিনি আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি এবং আন্দোলনের আরেক পরিচিত মুখ আব্দুল কাদেরকে দ্বিতীয় আসামি করে একটি তালিকা পেশ করেন। অভিযোগের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা ও দীর্ঘ শুনানির পর বিচারক এই আবেদনটি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
মামলার আসামিদের তালিকায় জুলাই আন্দোলনের আরও বেশ কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এদের মধ্যে রয়েছেন আবু বাকের মজুমদার, আব্দুল হান্নান মাসউদ, উমামা ফাতেমা, রিফাত রশিদ, হাসিব আল ইসলাম, নুসরাত তাবাসসুম এবং তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী প্রমুখ। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পথ রুদ্ধ হয়ে গেল।
এই মামলার বিষয়ে দ্বিতীয় আসামি আব্দুল কাদের তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তাকে একটি মামলায় দুই নম্বর আসামি করা হয়েছিল এবং সে সময় তাকে জেল খাটতে হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও একই অবস্থানে নিজের নাম দেখে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালত প্রাঙ্গণে এই সংবাদটি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়। মামলার বাদীপক্ষ এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কি না সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন