নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় তালাকপ্রাপ্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পুলিশ ও সামাজিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী তিন সন্তানের জননী এবং স্বামী পরিত্যক্তা।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। পরে তারা তাকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার করে। ভুক্তভোগী সেই রাতেই হাতিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী এমন ধর্ষণ এবং প্রতারণামূলক প্রলোভন অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনার ফলে নারীর নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তার চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশ ও প্রশাসন দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে। সমাজ সচেতনতার দিক থেকেও এই ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছে নারীর প্রতি সহিংসতা এবং প্রতারণার বিরুদ্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় তালাকপ্রাপ্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পুলিশ ও সামাজিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী তিন সন্তানের জননী এবং স্বামী পরিত্যক্তা।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। পরে তারা তাকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার করে। ভুক্তভোগী সেই রাতেই হাতিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী এমন ধর্ষণ এবং প্রতারণামূলক প্রলোভন অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনার ফলে নারীর নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তার চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশ ও প্রশাসন দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে। সমাজ সচেতনতার দিক থেকেও এই ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছে নারীর প্রতি সহিংসতা এবং প্রতারণার বিরুদ্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন