আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদ্য সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের ঘুষ চাওয়ার অডিও ফাঁসের ঘটনায় গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রসিকিউশন বা সংশ্লিষ্ট যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ মিললে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচার শুরু হয়। ইতিমধ্যে তিনটি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে এবং আগামী মাসে আরও একটি মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। এছাড়া আরও বেশ কয়েকটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারকার্য প্রায় শেষের দিকে এসেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া চলার মাঝেই ঘুষকাণ্ডের অডিও ফাঁস হওয়ায় ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।
বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন সদ্য সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার। তার বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার একটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যম ও আইনি অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। স্বয়ং চিফ প্রসিকিউটরও স্বীকার করেছেন, এই ধরনের ঘটনা বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এটি কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। এর আগেও প্রসিকিউশনের একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছিল, কিন্তু এবারের ঘটনা সেই অভিযোগগুলোকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
মঙ্গলবার চিফ প্রসিকিউটর সব ঘটনার তদন্তের ঘোষণা দেন এবং পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেন। বুধবার থেকে এই কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। চিফ প্রসিকিউটর স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কমিটি প্রসিকিউশন দলের ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অনিয়ম খতিয়ে দেখবে এবং বাস্তবতার ভিত্তিতে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে বুধবার ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হবে কিনা সে বিষয়ে আগামী ৩০ মার্চ আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি জুলাই হত্যাযজ্ঞের আরও বেশ কয়েকটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বও চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদ্য সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের ঘুষ চাওয়ার অডিও ফাঁসের ঘটনায় গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রসিকিউশন বা সংশ্লিষ্ট যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ মিললে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচার শুরু হয়। ইতিমধ্যে তিনটি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে এবং আগামী মাসে আরও একটি মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। এছাড়া আরও বেশ কয়েকটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারকার্য প্রায় শেষের দিকে এসেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া চলার মাঝেই ঘুষকাণ্ডের অডিও ফাঁস হওয়ায় ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।
বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন সদ্য সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার। তার বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার একটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যম ও আইনি অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। স্বয়ং চিফ প্রসিকিউটরও স্বীকার করেছেন, এই ধরনের ঘটনা বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এটি কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। এর আগেও প্রসিকিউশনের একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছিল, কিন্তু এবারের ঘটনা সেই অভিযোগগুলোকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
মঙ্গলবার চিফ প্রসিকিউটর সব ঘটনার তদন্তের ঘোষণা দেন এবং পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেন। বুধবার থেকে এই কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। চিফ প্রসিকিউটর স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কমিটি প্রসিকিউশন দলের ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অনিয়ম খতিয়ে দেখবে এবং বাস্তবতার ভিত্তিতে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে বুধবার ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হবে কিনা সে বিষয়ে আগামী ৩০ মার্চ আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি জুলাই হত্যাযজ্ঞের আরও বেশ কয়েকটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বও চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন