ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মুসাপুর রেগুলেটর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬

মুসাপুর রেগুলেটর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ পরিদর্শনে গিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, মুসাপুর রেগুলেটর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি শুধু একটি স্থানীয় অবকাঠামো নয়, বরং নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন-মরণ সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ

মন্ত্রী আরও বলেন, তিনি ইতোমধ্যে প্রকল্পের গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীকে তুলে ধরেছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

সরকারি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এটি ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অনুমোদনের পর দ্রুত রেগুলেটর নির্মাণ ও নদী ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু হবে।

প্রকল্পের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানানো হয়েছে, আগের রেগুলেটরটি ২০০৫ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের প্রবল বর্ষণে তা ধ্বংস হয়ে যায়। এর ফলে কোম্পানীগঞ্জ, ফেনী ও দাগনভূঁইয়া এলাকায় নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। নতুন রেগুলেটর নির্মাণ হলে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, একনেক অনুমোদনের পর দ্রুত কাজ শুরু হবে। মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, স্থানীয় মানুষ খুব শিগগিরই প্রকল্পের সুফল দেখতে পাবেন এবং এটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


মুসাপুর রেগুলেটর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ পরিদর্শনে গিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, মুসাপুর রেগুলেটর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি শুধু একটি স্থানীয় অবকাঠামো নয়, বরং নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন-মরণ সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ

মন্ত্রী আরও বলেন, তিনি ইতোমধ্যে প্রকল্পের গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীকে তুলে ধরেছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

সরকারি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এটি ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অনুমোদনের পর দ্রুত রেগুলেটর নির্মাণ ও নদী ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু হবে।

প্রকল্পের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানানো হয়েছে, আগের রেগুলেটরটি ২০০৫ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের প্রবল বর্ষণে তা ধ্বংস হয়ে যায়। এর ফলে কোম্পানীগঞ্জ, ফেনী ও দাগনভূঁইয়া এলাকায় নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। নতুন রেগুলেটর নির্মাণ হলে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, একনেক অনুমোদনের পর দ্রুত কাজ শুরু হবে। মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, স্থানীয় মানুষ খুব শিগগিরই প্রকল্পের সুফল দেখতে পাবেন এবং এটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ