গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার পদুম শহর ইউনিয়নের কাজীবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে এক নারীর ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম রেজিনা বেগম (৪০)। তিনি ফুলছড়ি উপজেলার পূর্ব উদয়াখালী গ্রামের বদু মিয়ারের স্ত্রী।
স্থানীয় রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রামসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন ওই এলাকায় পৌঁছানোর সময় রেজিনা বেগম রেললাইনের উপরেই ছিলেন। ট্রেনের নিচে কাটা পড়ার ফলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, রেজিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত করবে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধের পদক্ষেপ নেবে।
এটি গাইবান্ধা অঞ্চলে এ বছরের মধ্যে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর আরও একটি ঘটনা। আগের কয়েক মাসেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় রেলওয়ে পুলিশ সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করেছে।
স্থানীয় প্রশাসন এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ নজর রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার পদুম শহর ইউনিয়নের কাজীবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে এক নারীর ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম রেজিনা বেগম (৪০)। তিনি ফুলছড়ি উপজেলার পূর্ব উদয়াখালী গ্রামের বদু মিয়ারের স্ত্রী।
স্থানীয় রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রামসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন ওই এলাকায় পৌঁছানোর সময় রেজিনা বেগম রেললাইনের উপরেই ছিলেন। ট্রেনের নিচে কাটা পড়ার ফলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, রেজিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত করবে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধের পদক্ষেপ নেবে।
এটি গাইবান্ধা অঞ্চলে এ বছরের মধ্যে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর আরও একটি ঘটনা। আগের কয়েক মাসেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় রেলওয়ে পুলিশ সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করেছে।
স্থানীয় প্রশাসন এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ নজর রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন