গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে সোমবার রাতের আঁধারে বিএনপি কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীরা মারধরের শিকার হয়েছেন।
ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মইনুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়েছে, একদল ব্যক্তি রাতের বেলায় কার্যালয়ে প্রবেশ করে লাঠি ও রড নিয়ে নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে চেয়ারের পাশাপাশি টেবিল ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছেন। হামলার ফলে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০,০০০ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর ও পদদলিত করেছেন। এছাড়া লিখিত অভিযোগে আটজনকে স্পষ্টভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং আরও ২০‑২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে দায়ী করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু অভিযুক্ত স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমর্থক।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত এবং এটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজাহার ইউনিয়নের এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হামলার দায়ীদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে সোমবার রাতের আঁধারে বিএনপি কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীরা মারধরের শিকার হয়েছেন।
ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মইনুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়েছে, একদল ব্যক্তি রাতের বেলায় কার্যালয়ে প্রবেশ করে লাঠি ও রড নিয়ে নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে চেয়ারের পাশাপাশি টেবিল ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছেন। হামলার ফলে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০,০০০ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর ও পদদলিত করেছেন। এছাড়া লিখিত অভিযোগে আটজনকে স্পষ্টভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং আরও ২০‑২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে দায়ী করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু অভিযুক্ত স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমর্থক।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত এবং এটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজাহার ইউনিয়নের এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হামলার দায়ীদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন