বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীতে দলের একটি কর্মসূচিতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “খুব শিগগিরই আমাদের নেতা দেশে আসবেন। তিনি দেশে পা রাখার দিন যেন বাংলাদেশ কেঁপে ওঠে—সেই প্রস্তুতি নিন।”
ফখরুলের এই বক্তব্যের পরই বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। যদিও তারেক রহমানের ফেরার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ তিনি উল্লেখ করেননি। তিনি জানান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। কিছুদিন আগে আরেকটি অনুষ্ঠানে ফখরুল মন্তব্য করেছিলেন—খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য যদি একই রকম থাকে এবং বিদেশে নেওয়ার সুযোগ না থাকে, তবে তারেক রহমান শিগগিরই দেশে আসতে পারেন।
বিএনপির বিভিন্ন শীর্ষ নেতাও সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, দলের পুনর্গঠন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তা বাড়াতে তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা এখন সময়ের দাবি। নেতাদের বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে—দল এবারের ঘোষণা ‘ইঙ্গিত নয়’, বরং প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই নিচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য আগমনের প্রস্তুতি হিসেবে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, সাংগঠনিক ইউনিট ও বিভিন্ন নেতার সঙ্গে অনলাইনে বৈঠকের হার বেড়েছে। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তিনি দেশে ফিরলে বিএনপির আন্দোলন, সমাবেশ এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা নতুন গতি পাবে।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন—তারেক রহমান দেশে ফিরলে আইনগত বিষয়গুলো প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ীই বিবেচনা করা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানের পর তারেক রহমানের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ঘোষণা দলকে উজ্জীবিত করার কৌশলও হতে পারে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার দেশে ফেরার নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি; তবে ফখরুলের সর্বশেষ বক্তব্য বিএনপির রাজনৈতিক আলোচনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীতে দলের একটি কর্মসূচিতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “খুব শিগগিরই আমাদের নেতা দেশে আসবেন। তিনি দেশে পা রাখার দিন যেন বাংলাদেশ কেঁপে ওঠে—সেই প্রস্তুতি নিন।”
ফখরুলের এই বক্তব্যের পরই বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। যদিও তারেক রহমানের ফেরার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ তিনি উল্লেখ করেননি। তিনি জানান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। কিছুদিন আগে আরেকটি অনুষ্ঠানে ফখরুল মন্তব্য করেছিলেন—খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য যদি একই রকম থাকে এবং বিদেশে নেওয়ার সুযোগ না থাকে, তবে তারেক রহমান শিগগিরই দেশে আসতে পারেন।
বিএনপির বিভিন্ন শীর্ষ নেতাও সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, দলের পুনর্গঠন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তা বাড়াতে তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা এখন সময়ের দাবি। নেতাদের বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে—দল এবারের ঘোষণা ‘ইঙ্গিত নয়’, বরং প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই নিচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য আগমনের প্রস্তুতি হিসেবে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, সাংগঠনিক ইউনিট ও বিভিন্ন নেতার সঙ্গে অনলাইনে বৈঠকের হার বেড়েছে। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তিনি দেশে ফিরলে বিএনপির আন্দোলন, সমাবেশ এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা নতুন গতি পাবে।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন—তারেক রহমান দেশে ফিরলে আইনগত বিষয়গুলো প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ীই বিবেচনা করা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানের পর তারেক রহমানের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ঘোষণা দলকে উজ্জীবিত করার কৌশলও হতে পারে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার দেশে ফেরার নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি; তবে ফখরুলের সর্বশেষ বক্তব্য বিএনপির রাজনৈতিক আলোচনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন