বাংলাদেশে নতুন শুরু হওয়া ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৩৭,৫৬৭ নারী প্রধান পরিবারকে কার্ড বিতরণ করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার থেকে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কার্ডধারী পরিবার মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। এই সহায়তা সরাসরি তাদের ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে, যা পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে।
ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য মোট ৭৭,০০০ পরিবারের জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ধাপে ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাছাই প্রক্রিয়াটি বৈজ্ঞানিক ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যাতে প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলো অগ্রাধিকার পায়।
প্রকল্পের আওতায় কার্ড নারীর নামে ইস্যু করা হবে, যা নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে। পাইলট প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলা ও ওয়ার্ডে শুরু হচ্ছে। চলতি বছর মে‑জুনের মধ্যে মোট ৪০,০০০ পরিবারকে প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে তা দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে ধরা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশে নতুন শুরু হওয়া ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৩৭,৫৬৭ নারী প্রধান পরিবারকে কার্ড বিতরণ করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার থেকে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কার্ডধারী পরিবার মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। এই সহায়তা সরাসরি তাদের ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে, যা পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে।
ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য মোট ৭৭,০০০ পরিবারের জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ধাপে ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাছাই প্রক্রিয়াটি বৈজ্ঞানিক ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যাতে প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলো অগ্রাধিকার পায়।
প্রকল্পের আওতায় কার্ড নারীর নামে ইস্যু করা হবে, যা নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে। পাইলট প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলা ও ওয়ার্ডে শুরু হচ্ছে। চলতি বছর মে‑জুনের মধ্যে মোট ৪০,০০০ পরিবারকে প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে তা দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে ধরা হবে।

আপনার মতামত লিখুন