সাম্প্রতিক সময়ে নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণের পর হত্যা এবং শিশু নির্যাতনের ঘটনায় বাংলাদেশে নাগরিকদের মধ্যে দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবিতে সামাজিক আন্দোলন বিভিন্ন শহরে দৃশ্যে এসেছে, যেখানে সাধারণ জনগণ, ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল‑ভিত্তিক সংগঠনগুলো মানববন্ধন, মানব শৃঙ্খলা ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে।
সোমবার ৮ মার্চ ২০২৬ রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জামায়াতের মহিলা বিভাগের মানব শৃঙ্খলা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার দেরি হওয়া বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করার দাবি জানান। তারা দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তুলেছেন।
একই দিনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানের তিন শিক্ষক সংগঠন মানববন্ধন করে। প্রতিবাদে বক্তারা দাবি করেন, হত্যার দোষীদের আইনি ব্যবস্থায় দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে এবং সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও একই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে, যাতে তারা সমাজে সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশজুড়ে নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে বলে মানবাধিকার সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নতুন সরকার গঠন হওয়া সত্ত্বেও এসব অপরাধ কমেনি বলে তাঁরা মন্তব্য করেছেন এবং তা সরকারের সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন।
আবার রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরাও ধর্ষণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। ঢাকার শিক্ষার্থীরা রাতে মশাল মিছিলসহ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে, যেখানে তারা নারীর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে।
বিশেষ করে গত এক বছরে বাংলাদেশে ধর্ষণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পুলিশ ও মানবাধিকার পর্যবেক্ষণকারীরা জানিয়েছে, যা সমাজে সচেতনতা ও প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
সাম্প্রতিক সময়ে নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণের পর হত্যা এবং শিশু নির্যাতনের ঘটনায় বাংলাদেশে নাগরিকদের মধ্যে দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবিতে সামাজিক আন্দোলন বিভিন্ন শহরে দৃশ্যে এসেছে, যেখানে সাধারণ জনগণ, ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল‑ভিত্তিক সংগঠনগুলো মানববন্ধন, মানব শৃঙ্খলা ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে।
সোমবার ৮ মার্চ ২০২৬ রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জামায়াতের মহিলা বিভাগের মানব শৃঙ্খলা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার দেরি হওয়া বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করার দাবি জানান। তারা দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তুলেছেন।
একই দিনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানের তিন শিক্ষক সংগঠন মানববন্ধন করে। প্রতিবাদে বক্তারা দাবি করেন, হত্যার দোষীদের আইনি ব্যবস্থায় দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে এবং সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও একই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে, যাতে তারা সমাজে সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশজুড়ে নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে বলে মানবাধিকার সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নতুন সরকার গঠন হওয়া সত্ত্বেও এসব অপরাধ কমেনি বলে তাঁরা মন্তব্য করেছেন এবং তা সরকারের সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন।
আবার রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরাও ধর্ষণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। ঢাকার শিক্ষার্থীরা রাতে মশাল মিছিলসহ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে, যেখানে তারা নারীর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে।
বিশেষ করে গত এক বছরে বাংলাদেশে ধর্ষণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পুলিশ ও মানবাধিকার পর্যবেক্ষণকারীরা জানিয়েছে, যা সমাজে সচেতনতা ও প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

আপনার মতামত লিখুন