পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। রোববার দুপুরে অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে বিধাননগর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক এই আদেশ দেন। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের আবেদনের প্রেক্ষিতে দীর্ঘমেয়াদী এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এসটিএফ সূত্র জানিয়েছে যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা হাদি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তারা মূলত অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করেন এবং গত কয়েক মাস দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে পরিচয় গোপন করে অবস্থান করছিলেন। বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপন করে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ খোঁজার সময় গত রাতে তাদের আটক করা সম্ভব হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা আদালতকে জানিয়েছেন যে এই দুই বাংলাদেশি নাগরিকের ভারতে অবস্থান এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের পরিচয় নিশ্চিত হতে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। বিশেষ করে ফয়সাল করিম মাসুদকে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে যার মাথার ওপর বাংলাদেশ সরকার ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং নির্দিষ্ট অপরাধমূলক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তরুণ নেতা শরিফ ওসমান হাদি। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ফয়সাল ও তার সহযোগীরা পলাতক ছিলেন। ডিবি পুলিশ ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে এবং দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার তোড়জোড় চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। রোববার দুপুরে অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে বিধাননগর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক এই আদেশ দেন। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের আবেদনের প্রেক্ষিতে দীর্ঘমেয়াদী এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এসটিএফ সূত্র জানিয়েছে যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা হাদি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তারা মূলত অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করেন এবং গত কয়েক মাস দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে পরিচয় গোপন করে অবস্থান করছিলেন। বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপন করে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ খোঁজার সময় গত রাতে তাদের আটক করা সম্ভব হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা আদালতকে জানিয়েছেন যে এই দুই বাংলাদেশি নাগরিকের ভারতে অবস্থান এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের পরিচয় নিশ্চিত হতে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। বিশেষ করে ফয়সাল করিম মাসুদকে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে যার মাথার ওপর বাংলাদেশ সরকার ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং নির্দিষ্ট অপরাধমূলক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তরুণ নেতা শরিফ ওসমান হাদি। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ফয়সাল ও তার সহযোগীরা পলাতক ছিলেন। ডিবি পুলিশ ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে এবং দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার তোড়জোড় চলছে।

আপনার মতামত লিখুন