ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের সামনে মানববন্ধন ও মিছিল আয়োজন করেছে। শিক্ষকমণ্ডলী হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি প্রধান শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) এবং গ্রীণ ফোরাম যৌথভাবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পরিচালনা করে। বক্তারা বলেন, “ক্যাম্পাসকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রশাসনের উচিত শিক্ষকদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা।”
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার প্রেক্ষিতে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটি হত্যাকাণ্ডের কারণ খুঁজে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেবে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরাও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল করেছে। কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাব ও অন্যান্য স্থানে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষও অংশগ্রহণ করেছেন। নিহত শিক্ষিকার পরিবার, বিশেষ করে তার চার শিশু সন্তানও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, আসমা সাদিয়া রুনাকে ৪ মার্চ তার অফিসে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্ত এক বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার স্বামীও মামলা করেছেন।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের এই প্রতিবাদ শিক্ষামহল ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের সামনে মানববন্ধন ও মিছিল আয়োজন করেছে। শিক্ষকমণ্ডলী হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি প্রধান শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) এবং গ্রীণ ফোরাম যৌথভাবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পরিচালনা করে। বক্তারা বলেন, “ক্যাম্পাসকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রশাসনের উচিত শিক্ষকদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা।”
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার প্রেক্ষিতে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটি হত্যাকাণ্ডের কারণ খুঁজে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেবে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরাও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল করেছে। কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাব ও অন্যান্য স্থানে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষও অংশগ্রহণ করেছেন। নিহত শিক্ষিকার পরিবার, বিশেষ করে তার চার শিশু সন্তানও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, আসমা সাদিয়া রুনাকে ৪ মার্চ তার অফিসে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্ত এক বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার স্বামীও মামলা করেছেন।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের এই প্রতিবাদ শিক্ষামহল ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন