কুষ্টিয়ার চৌড়হাস কোল্ডস্টোরপাড়া এলাকায় আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে প্রকাশ্য দিবালোকে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত যুবকের নাম সানি শেখ সাগর, বয়স ২৬ বছর। তিনি স্থানীয় চৌড়হাস কোল্ডস্টোরপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, হামলাকারীরা হঠাৎ করে তাকে আক্রমণ করে, এবং তার শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। হামলার সময় তারা চাপাতি ও রামদা ব্যবহার করেছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডটি মাদক সংক্রান্ত বিরোধ বা ব্যক্তিগত বিবাদের কারণে হতে পারে। তবে ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”
স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নিহতের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে এবং তদন্ত দ্রুততর করার উদ্যোগ নিয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ড কুষ্টিয়ায় নিরাপত্তা প্রশ্নে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
কুষ্টিয়ার চৌড়হাস কোল্ডস্টোরপাড়া এলাকায় আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে প্রকাশ্য দিবালোকে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত যুবকের নাম সানি শেখ সাগর, বয়স ২৬ বছর। তিনি স্থানীয় চৌড়হাস কোল্ডস্টোরপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, হামলাকারীরা হঠাৎ করে তাকে আক্রমণ করে, এবং তার শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। হামলার সময় তারা চাপাতি ও রামদা ব্যবহার করেছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডটি মাদক সংক্রান্ত বিরোধ বা ব্যক্তিগত বিবাদের কারণে হতে পারে। তবে ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”
স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নিহতের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে এবং তদন্ত দ্রুততর করার উদ্যোগ নিয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ড কুষ্টিয়ায় নিরাপত্তা প্রশ্নে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন