কর্মকর্তাদের উদ্দেশে “চলেন যুদ্ধে যাই” বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর গুলশানের সরকারি বাসভবন থেকে দৈনন্দিন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বের হওয়ার সময় উপস্থিত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন। হঠাৎ এমন মন্তব্যে সেখানে উপস্থিত অনেক কর্মকর্তা প্রথমে কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালেই প্রধানমন্ত্রী বাসভবন থেকে বের হয়ে সরকারি দপ্তরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় দরজা খুলে বাইরে আসার পর তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে বলেন, “চলেন যুদ্ধে যাই।” তার এমন মন্তব্য শুনে উপস্থিতদের মধ্যে মুহূর্তের জন্য কৌতূহল ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।
পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়, এখানে কোনো প্রকৃত যুদ্ধের কথা বোঝানো হয়নি। বরং রাষ্ট্র পরিচালনা, উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং দেশের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলার দায়িত্বকে প্রতীকীভাবে “যুদ্ধ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। কর্মকর্তাদের কাজে উদ্দীপনা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতেই প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
সকালে বাসভবন থেকে বের হয়ে প্রধানমন্ত্রী পরে সচিবালয়ে পৌঁছান এবং দিনের নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেন। ওই দিন তার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রশাসনিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য মূলত দেশের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরার একটি প্রতীকী বক্তব্য। কর্মকর্তাদের কাজের প্রতি আরও মনোযোগী ও উদ্দীপ্ত করার উদ্দেশ্যেই তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে “চলেন যুদ্ধে যাই” বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর গুলশানের সরকারি বাসভবন থেকে দৈনন্দিন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বের হওয়ার সময় উপস্থিত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন। হঠাৎ এমন মন্তব্যে সেখানে উপস্থিত অনেক কর্মকর্তা প্রথমে কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালেই প্রধানমন্ত্রী বাসভবন থেকে বের হয়ে সরকারি দপ্তরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় দরজা খুলে বাইরে আসার পর তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে বলেন, “চলেন যুদ্ধে যাই।” তার এমন মন্তব্য শুনে উপস্থিতদের মধ্যে মুহূর্তের জন্য কৌতূহল ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।
পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়, এখানে কোনো প্রকৃত যুদ্ধের কথা বোঝানো হয়নি। বরং রাষ্ট্র পরিচালনা, উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং দেশের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলার দায়িত্বকে প্রতীকীভাবে “যুদ্ধ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। কর্মকর্তাদের কাজে উদ্দীপনা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতেই প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
সকালে বাসভবন থেকে বের হয়ে প্রধানমন্ত্রী পরে সচিবালয়ে পৌঁছান এবং দিনের নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেন। ওই দিন তার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রশাসনিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য মূলত দেশের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরার একটি প্রতীকী বক্তব্য। কর্মকর্তাদের কাজের প্রতি আরও মনোযোগী ও উদ্দীপ্ত করার উদ্দেশ্যেই তিনি এ কথা বলেছেন।

আপনার মতামত লিখুন