বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ফরিদপুর জেলায় পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকে ঘিরে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন কৃষকেরা। স্থানীয়ভাবে ‘কালোসোনা’ নামে পরিচিত পেঁয়াজ বীজের চাষ চলতি মৌসুমে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা। অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের অভিজ্ঞতার কারণে এ বছর বীজ উৎপাদন ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দেশের পেঁয়াজ চাষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
জেলা কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর, ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও বোয়ালমারীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপকভাবে পেঁয়াজ বীজের আবাদ হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এই বীজের মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা ফরিদপুরে এসে বীজ সংগ্রহ করে নিয়ে যান। দীর্ঘদিন ধরেই এই জেলা পেঁয়াজ ও পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত এবং দেশের মোট পেঁয়াজ বীজের চাহিদার একটি বড় অংশ এখান থেকেই সরবরাহ করা হয়।
কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও লাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমি থেকে কয়েক লাখ টাকার বীজ বিক্রি করা সম্ভব হয়। ফলে গত কয়েক বছরে অনেক কৃষক ধান বা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পেঁয়াজ বীজ চাষে ঝুঁকছেন। স্থানীয়ভাবে এই বীজকে ‘কালোসোনা’ বলা হয়, কারণ এর বাজারমূল্য ও লাভের পরিমাণ বেশ বেশি এবং এটি কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, উর্বর মাটি, উপযোগী আবহাওয়া এবং কৃষকদের অভিজ্ঞতার কারণে ফরিদপুরে উৎপাদিত পেঁয়াজ বীজের মান ভালো হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের উন্নত চাষ পদ্ধতি, রোগবালাই দমন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও মান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয় কৃষকেরা আশা করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ বীজের বাম্পার ফলন হতে পারে। এতে একদিকে কৃষকদের আয় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের পেঁয়াজ চাষে মানসম্মত বীজ সরবরাহের ক্ষেত্রেও ফরিদপুর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ফরিদপুর জেলায় পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকে ঘিরে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন কৃষকেরা। স্থানীয়ভাবে ‘কালোসোনা’ নামে পরিচিত পেঁয়াজ বীজের চাষ চলতি মৌসুমে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা। অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের অভিজ্ঞতার কারণে এ বছর বীজ উৎপাদন ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দেশের পেঁয়াজ চাষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
জেলা কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর, ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও বোয়ালমারীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপকভাবে পেঁয়াজ বীজের আবাদ হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এই বীজের মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা ফরিদপুরে এসে বীজ সংগ্রহ করে নিয়ে যান। দীর্ঘদিন ধরেই এই জেলা পেঁয়াজ ও পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত এবং দেশের মোট পেঁয়াজ বীজের চাহিদার একটি বড় অংশ এখান থেকেই সরবরাহ করা হয়।
কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও লাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমি থেকে কয়েক লাখ টাকার বীজ বিক্রি করা সম্ভব হয়। ফলে গত কয়েক বছরে অনেক কৃষক ধান বা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পেঁয়াজ বীজ চাষে ঝুঁকছেন। স্থানীয়ভাবে এই বীজকে ‘কালোসোনা’ বলা হয়, কারণ এর বাজারমূল্য ও লাভের পরিমাণ বেশ বেশি এবং এটি কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, উর্বর মাটি, উপযোগী আবহাওয়া এবং কৃষকদের অভিজ্ঞতার কারণে ফরিদপুরে উৎপাদিত পেঁয়াজ বীজের মান ভালো হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের উন্নত চাষ পদ্ধতি, রোগবালাই দমন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও মান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয় কৃষকেরা আশা করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ বীজের বাম্পার ফলন হতে পারে। এতে একদিকে কৃষকদের আয় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের পেঁয়াজ চাষে মানসম্মত বীজ সরবরাহের ক্ষেত্রেও ফরিদপুর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন