পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে United People's Democratic Front (ইউপিডিএফ)-এর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আপন ত্রিপুরা (২৮), যিনি ‘সংগ্রাম’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার পদ্মিনীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার সময় বড়কোণা এলাকায় ওঁত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, হামলাটি পার্বত্য অঞ্চলের আরেক সংগঠন Parbatya Chattagram Jana Samhati Samiti (জেএসএস) সন্তু লারমা গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা চালিয়েছে। সংগঠনটির নেতারা দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে আপন ত্রিপুরাকে লক্ষ্য করে এই হামলা করা হয়েছে। তবে জেএসএসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং তারা বলেছে, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
খবর পেয়ে পানছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে United People's Democratic Front (ইউপিডিএফ)-এর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আপন ত্রিপুরা (২৮), যিনি ‘সংগ্রাম’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার পদ্মিনীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার সময় বড়কোণা এলাকায় ওঁত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, হামলাটি পার্বত্য অঞ্চলের আরেক সংগঠন Parbatya Chattagram Jana Samhati Samiti (জেএসএস) সন্তু লারমা গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা চালিয়েছে। সংগঠনটির নেতারা দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে আপন ত্রিপুরাকে লক্ষ্য করে এই হামলা করা হয়েছে। তবে জেএসএসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং তারা বলেছে, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
খবর পেয়ে পানছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন