মায়ের নির্মম হত্যার ঘটনায় কুষ্টিয়ার চার সন্তান রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হওয়ার পর তার পরিবার ও এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।
আজ দুপুরে চার সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। চার সন্তানের বয়স প্রায় ১.৫ থেকে ৯ বছরের মধ্যে। বড় মেয়ে ইফফাত তায়েবা জানান, “মা ছাড়া বাকি থাকা আমাদের জন্য খুবই কঠিন। আমরা চাই দোষীরা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাই।”
স্থানীয় ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। আন্দোলনটি স্থানীয় ও সামাজিক স্তরে নারীর নিরাপত্তা ও ন্যায়ের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং মামলার তদন্ত ও প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে।
কুষ্টিয়ার এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা শেষ পর্যন্ত বিচারের লড়াই চালিয়ে যাবেন এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করবেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও নারী ও শিশু হত্যার ঘটনায় মানুষের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন চলমান থাকায়, এই আন্দোলন ন্যায়বিচারের প্রতি সামাজিক চেতনা আরও শক্তিশালী করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
মায়ের নির্মম হত্যার ঘটনায় কুষ্টিয়ার চার সন্তান রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হওয়ার পর তার পরিবার ও এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।
আজ দুপুরে চার সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। চার সন্তানের বয়স প্রায় ১.৫ থেকে ৯ বছরের মধ্যে। বড় মেয়ে ইফফাত তায়েবা জানান, “মা ছাড়া বাকি থাকা আমাদের জন্য খুবই কঠিন। আমরা চাই দোষীরা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাই।”
স্থানীয় ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। আন্দোলনটি স্থানীয় ও সামাজিক স্তরে নারীর নিরাপত্তা ও ন্যায়ের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং মামলার তদন্ত ও প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে।
কুষ্টিয়ার এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা শেষ পর্যন্ত বিচারের লড়াই চালিয়ে যাবেন এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করবেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও নারী ও শিশু হত্যার ঘটনায় মানুষের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন চলমান থাকায়, এই আন্দোলন ন্যায়বিচারের প্রতি সামাজিক চেতনা আরও শক্তিশালী করছে।

আপনার মতামত লিখুন