দেশের বিভিন্ন জেলায় তেলের জন্য হঠাৎ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো গুজবের কারণে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত তেল কেনার হুড়াহুড়িতে লিপ্ত হয়েছেন। এতে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সার, যানজট এবং অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে প্রভাবিত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং সরবরাহ স্বল্প হতে পারে। এ শঙ্কার প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট গাড়ির মালিকরা এ হুড়াহুড়িতে যুক্ত হয়েছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দৈনিক ক্রয় সীমা চালু করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কার ১০ লিটার, SUV বা মাইক্রোবাস ২০–২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাস ৭০–৮০ লিটার এবং ট্রাক/কন্টেইনার ২০০–২২০ লিটার তেল নিতে পারবে। ক্রেতাদের পুরানো রসিদ দেখিয়ে তেল নিতে হবে এবং পাম্পে রসিদ প্রদান বাধ্যতামূলক।
বিপিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শঙ্কা ও গুজবের কারণে চাহিদা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। কিছু ডিলার ও গ্রাহক ডিপো থেকে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তবে তেল আমদানি নিয়মিতভাবে হচ্ছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে আশ্বাস দিয়েছে সংস্থা।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশে ডিজেলের প্রায় ১৫ দিনের মজুত রয়েছে এবং অন্যান্য ফুয়েলের স্টকও পর্যাপ্ত। তেলের দাম আপাতত বাড়ানো হয়নি। সরকার বারবার সাধারণ মানুষকে আশ্বাস দিয়েছে যে সরবরাহ স্বাভাবিক এবং হুড়াহুড়ি করা অনাবশ্যক।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
দেশের বিভিন্ন জেলায় তেলের জন্য হঠাৎ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো গুজবের কারণে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত তেল কেনার হুড়াহুড়িতে লিপ্ত হয়েছেন। এতে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সার, যানজট এবং অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে প্রভাবিত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং সরবরাহ স্বল্প হতে পারে। এ শঙ্কার প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট গাড়ির মালিকরা এ হুড়াহুড়িতে যুক্ত হয়েছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দৈনিক ক্রয় সীমা চালু করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কার ১০ লিটার, SUV বা মাইক্রোবাস ২০–২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাস ৭০–৮০ লিটার এবং ট্রাক/কন্টেইনার ২০০–২২০ লিটার তেল নিতে পারবে। ক্রেতাদের পুরানো রসিদ দেখিয়ে তেল নিতে হবে এবং পাম্পে রসিদ প্রদান বাধ্যতামূলক।
বিপিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শঙ্কা ও গুজবের কারণে চাহিদা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। কিছু ডিলার ও গ্রাহক ডিপো থেকে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তবে তেল আমদানি নিয়মিতভাবে হচ্ছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে আশ্বাস দিয়েছে সংস্থা।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশে ডিজেলের প্রায় ১৫ দিনের মজুত রয়েছে এবং অন্যান্য ফুয়েলের স্টকও পর্যাপ্ত। তেলের দাম আপাতত বাড়ানো হয়নি। সরকার বারবার সাধারণ মানুষকে আশ্বাস দিয়েছে যে সরবরাহ স্বাভাবিক এবং হুড়াহুড়ি করা অনাবশ্যক।

আপনার মতামত লিখুন