সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা-এ নিখোঁজ এক ঠেলাগাড়ি চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের তেরানগর গ্রামের কাছে সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল হামিদ (৪৮)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা-এর জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ঠেলাগাড়ি চালক ছিলেন। পরিবার জানায়, প্রায় তিন দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন ভীমখালী ইউনিয়নের তেরানগর গ্রামের কাছে দোলতা নদীর সেতুর দক্ষিণ পাশে জামালগঞ্জ–নওমৌজা সড়কের ধারে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের খবর দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি আব্দুল হামিদের বলে শনাক্ত করেন। স্থানীয়দের ধারণা, তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে পরে মরদেহটি সড়কের পাশে ফেলে রাখা হতে পারে।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা-এ নিখোঁজ এক ঠেলাগাড়ি চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের তেরানগর গ্রামের কাছে সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল হামিদ (৪৮)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা-এর জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ঠেলাগাড়ি চালক ছিলেন। পরিবার জানায়, প্রায় তিন দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন ভীমখালী ইউনিয়নের তেরানগর গ্রামের কাছে দোলতা নদীর সেতুর দক্ষিণ পাশে জামালগঞ্জ–নওমৌজা সড়কের ধারে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের খবর দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি আব্দুল হামিদের বলে শনাক্ত করেন। স্থানীয়দের ধারণা, তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে পরে মরদেহটি সড়কের পাশে ফেলে রাখা হতে পারে।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন