ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ইবি শিক্ষিকাকে হত্যা: বারবার মাকে দেখতে চাইছে ৪ শিশু, থামছে না কান্না


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬

ইবি শিক্ষিকাকে হত্যা: বারবার মাকে দেখতে চাইছে ৪ শিশু, থামছে না কান্না

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে তার অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আহত অবস্থায় তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সময় একই কক্ষে থাকা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান নিজেও গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি এবং পুলিশ তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও ঘটনার তদন্তে তৎপর।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হত্যাকারীর বদলির বিরোধ, বেতন সমস্যা ও শিক্ষিকার সঙ্গে পূর্ব বিরোধ এ ঘটনার কারণ হতে পারে। ফজলুর রহমান আগে সমাজকল্যাণ বিভাগের কর্মচারী ছিলেন। আচরণগত কারণে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়েছিল, যা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল।

নিহত শিক্ষিকার চারটি ছোট শিশুর মধ্যে রয়েছে তাইবা (৯), তাবাসসুম (৭), আয়েশা (৭ মাস) ও সাজিদ (৫)। তারা বারবার মায়ের মরদেহ দেখতে চাইছে এবং কান্না থামছে না। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের মানসিক কষ্ট অত্যন্ত গভীর।

হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন। তারা দ্রুত বিচার এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা শোকাহত পরিবারের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন এবং সকল আইনি সহায়তা প্রদান করছেন।

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হত্যাকাণ্ড শিক্ষকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর শোক সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকারী আইনের আওতায় শাস্তি পাবেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ইবি শিক্ষিকাকে হত্যা: বারবার মাকে দেখতে চাইছে ৪ শিশু, থামছে না কান্না

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে তার অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আহত অবস্থায় তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সময় একই কক্ষে থাকা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান নিজেও গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি এবং পুলিশ তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও ঘটনার তদন্তে তৎপর।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হত্যাকারীর বদলির বিরোধ, বেতন সমস্যা ও শিক্ষিকার সঙ্গে পূর্ব বিরোধ এ ঘটনার কারণ হতে পারে। ফজলুর রহমান আগে সমাজকল্যাণ বিভাগের কর্মচারী ছিলেন। আচরণগত কারণে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়েছিল, যা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল।

নিহত শিক্ষিকার চারটি ছোট শিশুর মধ্যে রয়েছে তাইবা (৯), তাবাসসুম (৭), আয়েশা (৭ মাস) ও সাজিদ (৫)। তারা বারবার মায়ের মরদেহ দেখতে চাইছে এবং কান্না থামছে না। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের মানসিক কষ্ট অত্যন্ত গভীর।

হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন। তারা দ্রুত বিচার এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা শোকাহত পরিবারের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন এবং সকল আইনি সহায়তা প্রদান করছেন।

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হত্যাকাণ্ড শিক্ষকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর শোক সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকারী আইনের আওতায় শাস্তি পাবেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ