মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালি ইউনিয়নের দুর্গাবদী গ্রামে ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ভুট্টা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। মরদেহের মুখমণ্ডল বিকৃত এবং চামড়া ছেঁড়া থাকায় প্রথমদিকে কেউই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ শনাক্ত করতে পারেনি।
মাদারীপুর পুলিশ ও গোয়েন্দা দল তথ্যপ্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। নিহত ব্যক্তি হলেন সিরাজ সরদার (৫৬)। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোঃ বিলাল হোসেন সরদার (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে আরও তিনজন ব্যক্তি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদারীপুর পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, “এটি ছিল একেবারে ক্লুলেস মামলা কোন পরিচয় বা আলামত ছিল না। তবে নির্দিষ্ট তদন্ত ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়েছে।”
স্থানীয়রা হত্যাকাণ্ডে উদ্বিগ্ন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দ্রুত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
মরদেহ ২২ ফেব্রুয়ারি উদ্ধার করা হয়েছিল, নিহত ব্যক্তি সিরাজ সরদার, মামলা দায়ের করা হয়েছে ৩০২/২০১/৩৪ ধারায়, এবং প্রধান আসামি মোঃ বিলাল হোসেন সরদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন সন্দেহভাজন আসামি ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালি ইউনিয়নের দুর্গাবদী গ্রামে ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ভুট্টা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। মরদেহের মুখমণ্ডল বিকৃত এবং চামড়া ছেঁড়া থাকায় প্রথমদিকে কেউই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ শনাক্ত করতে পারেনি।
মাদারীপুর পুলিশ ও গোয়েন্দা দল তথ্যপ্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। নিহত ব্যক্তি হলেন সিরাজ সরদার (৫৬)। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোঃ বিলাল হোসেন সরদার (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে আরও তিনজন ব্যক্তি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদারীপুর পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, “এটি ছিল একেবারে ক্লুলেস মামলা কোন পরিচয় বা আলামত ছিল না। তবে নির্দিষ্ট তদন্ত ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়েছে।”
স্থানীয়রা হত্যাকাণ্ডে উদ্বিগ্ন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দ্রুত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
মরদেহ ২২ ফেব্রুয়ারি উদ্ধার করা হয়েছিল, নিহত ব্যক্তি সিরাজ সরদার, মামলা দায়ের করা হয়েছে ৩০২/২০১/৩৪ ধারায়, এবং প্রধান আসামি মোঃ বিলাল হোসেন সরদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন সন্দেহভাজন আসামি ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন