কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় অবৈধভাবে কৃষি ও ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার ঘটনা প্রবল হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং আরও দুজনকে কারাদণ্ড (জেল) প্রদান করেছে। বিষয়টি রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নুরুল আমিন নিশ্চিত করেছেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত আইনি পদক্ষেপে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশের বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন (সহ অন্যান্য সরকারি বিধি) অনুযায়ী সাজার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানান, অভিযানটি স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাতে একটি টিম নিয়ে পরিচালিত হয়েছে।
প্রশাসনের ভাষ্যে, চৌদ্দগ্রামে ফসলি জমি থেকে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়া পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে এবং কৃষিজমির উর্বরতা কমিয়ে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন রয়েছে।
স্থানীয় কৃষক ও জনসাধারণ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, “মাটি কাটার এসব কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এবং এতে জমির উর্বরতা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি ভূমি ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছিল। প্রশাসনের এই অভিযান পরিবেশ ও কৃষি রক্ষায় একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।”
চৌদ্দগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যেমন, লক্ষ্মীপুরে কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার দায়ে একজনকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং রায়পুর উপজেলায় এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছিল, যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মাটি কাটার অপরাধে একজনকে কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং ওই অভিযানেও জরিমানা ও মেশিন জব্দের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ দেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষিজমি, পরিবেশ ও ভূমি রক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের অভিযান বেড়ে গেছে, এবং আইন অমান্যকারীদের শনাক্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যমে প্রভাবশালী বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে এই অপরাধ কোনোভাবেই বাষ্পে উড়িয়ে দেওয়া হবে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় অবৈধভাবে কৃষি ও ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার ঘটনা প্রবল হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং আরও দুজনকে কারাদণ্ড (জেল) প্রদান করেছে। বিষয়টি রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নুরুল আমিন নিশ্চিত করেছেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত আইনি পদক্ষেপে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশের বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন (সহ অন্যান্য সরকারি বিধি) অনুযায়ী সাজার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানান, অভিযানটি স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাতে একটি টিম নিয়ে পরিচালিত হয়েছে।
প্রশাসনের ভাষ্যে, চৌদ্দগ্রামে ফসলি জমি থেকে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়া পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে এবং কৃষিজমির উর্বরতা কমিয়ে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন রয়েছে।
স্থানীয় কৃষক ও জনসাধারণ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, “মাটি কাটার এসব কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এবং এতে জমির উর্বরতা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি ভূমি ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছিল। প্রশাসনের এই অভিযান পরিবেশ ও কৃষি রক্ষায় একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।”
চৌদ্দগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যেমন, লক্ষ্মীপুরে কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার দায়ে একজনকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং রায়পুর উপজেলায় এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছিল, যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মাটি কাটার অপরাধে একজনকে কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং ওই অভিযানেও জরিমানা ও মেশিন জব্দের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ দেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষিজমি, পরিবেশ ও ভূমি রক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের অভিযান বেড়ে গেছে, এবং আইন অমান্যকারীদের শনাক্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যমে প্রভাবশালী বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে এই অপরাধ কোনোভাবেই বাষ্পে উড়িয়ে দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন