রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মশার উৎপাত ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আজ থেকে মাসব্যাপী বিশেষ মশা নিধন কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শহরের খাল, নর্দমা ও জলাবদ্ধ এলাকা পরিষ্কার রাখা হবে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হবে।
রোববার সকালে ডিএসসিসির ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের সুখনগর, গ্রীন মডেল টাউন ও মান্ডা খাল এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি মাসব্যাপী চলবে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে শিথিলতা, অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। তিনি নিজে সরেজমিনে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে মশক নিয়ন্ত্রণ ওষুধ প্রয়োগ এবং কার্যক্রমের মান নিশ্চিত করা হবে।
এই কর্মসূচিতে শুধু করপোরেশনের কর্মকর্তা নয়, স্থানীয় নাগরিকরাও অংশ নিচ্ছেন। শুধুমাত্র মশা নির্মূল নয়, খাল, নর্দমা ও জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখা এবং আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখাও কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নাগরিকদের সচেতন করা হচ্ছে যাতে তারা ঘর-বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেয়।
প্রসঙ্গত, রাজধানীতে মশার সংখ্যা সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসিসি জানিয়েছে, এই মাসব্যাপী অভিযান জনস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রশাসক জানিয়েছেন, নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া কর্মসূচি সফল করা সম্ভব নয় এবং সকলকে নিজের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মশার উৎপাত ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আজ থেকে মাসব্যাপী বিশেষ মশা নিধন কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শহরের খাল, নর্দমা ও জলাবদ্ধ এলাকা পরিষ্কার রাখা হবে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হবে।
রোববার সকালে ডিএসসিসির ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের সুখনগর, গ্রীন মডেল টাউন ও মান্ডা খাল এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি মাসব্যাপী চলবে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে শিথিলতা, অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। তিনি নিজে সরেজমিনে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে মশক নিয়ন্ত্রণ ওষুধ প্রয়োগ এবং কার্যক্রমের মান নিশ্চিত করা হবে।
এই কর্মসূচিতে শুধু করপোরেশনের কর্মকর্তা নয়, স্থানীয় নাগরিকরাও অংশ নিচ্ছেন। শুধুমাত্র মশা নির্মূল নয়, খাল, নর্দমা ও জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখা এবং আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখাও কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নাগরিকদের সচেতন করা হচ্ছে যাতে তারা ঘর-বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেয়।
প্রসঙ্গত, রাজধানীতে মশার সংখ্যা সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসিসি জানিয়েছে, এই মাসব্যাপী অভিযান জনস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রশাসক জানিয়েছেন, নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া কর্মসূচি সফল করা সম্ভব নয় এবং সকলকে নিজের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন