রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ভোরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের পশ্চিম গৌরিপুর এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক ঘটনায় ৬৫ বছর বয়সী মো. শমশের আলী শেখ নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিনি ওই এলাকার একজন পরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হলেন বরকত শেখ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। বরকত এবং শমশের আলীর মধ্যে কথাকাটাকাটি চলছিল। আজ ভোরে উত্তেজনার এক পর্যায়ে বরকত শমশের আলীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্থানীয়রা বরকতকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে রাজবাড়ী সদর থানায় পুলিশে হস্তান্তর করেছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বরকতকে আসামি করে মাদকাসক্তির সঙ্গে যুক্ত সহিংসতার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ ঘটনার পেছনের কারণ ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।
স্থানীয়রা এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদকাসক্তি ও পারস্পরিক বিরোধ থেকে সহিংসতায় রূপ নেওয়া সমাজের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মাদকবিরোধী কার্যক্রম, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা না থাকলে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ভোরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের পশ্চিম গৌরিপুর এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক ঘটনায় ৬৫ বছর বয়সী মো. শমশের আলী শেখ নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিনি ওই এলাকার একজন পরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হলেন বরকত শেখ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। বরকত এবং শমশের আলীর মধ্যে কথাকাটাকাটি চলছিল। আজ ভোরে উত্তেজনার এক পর্যায়ে বরকত শমশের আলীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্থানীয়রা বরকতকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে রাজবাড়ী সদর থানায় পুলিশে হস্তান্তর করেছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বরকতকে আসামি করে মাদকাসক্তির সঙ্গে যুক্ত সহিংসতার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ ঘটনার পেছনের কারণ ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।
স্থানীয়রা এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদকাসক্তি ও পারস্পরিক বিরোধ থেকে সহিংসতায় রূপ নেওয়া সমাজের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মাদকবিরোধী কার্যক্রম, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা না থাকলে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন