নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মামলা তদন্তে নিয়োজিত পুলিশ আজ (১ মার্চ ২০২৬) জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড পেয়েছে। মামলায় মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছিল, এর মধ্যে দুইজন এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, কিশোরীকে প্রথমে অপহরণ ও ধর্ষণ করা হয়। এরপর তার বাবা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়, যা শেষ পর্যন্ত হত্যার ঘটনায় রূপ নেয়। মৃতের মরদেহ উদ্ধার করা হয় মাধবদী উপজেলার মহিষাশুরা ইউনিয়নের সরিষা খেতে। তদন্তে পুলিশ বলেছে, মরদেহে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের চিহ্ন স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
রিমান্ডে পাঠানো আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ, এবাদুল্লাহ, হজরত আলী, গফফার, আহমদ আলী, আবদুল ইমরান এবং এয়ুব। রিমান্ড শুনানির সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশ আশা করছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো ঘটনায় যুক্তদের চিহ্নিত করে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা যাবে।
স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে এই ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। নারীমুক্তি কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
পুলিশ ও আদালত জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে এবং মামলার তদন্ত ত্বরান্বিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মামলা তদন্তে নিয়োজিত পুলিশ আজ (১ মার্চ ২০২৬) জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড পেয়েছে। মামলায় মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছিল, এর মধ্যে দুইজন এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, কিশোরীকে প্রথমে অপহরণ ও ধর্ষণ করা হয়। এরপর তার বাবা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়, যা শেষ পর্যন্ত হত্যার ঘটনায় রূপ নেয়। মৃতের মরদেহ উদ্ধার করা হয় মাধবদী উপজেলার মহিষাশুরা ইউনিয়নের সরিষা খেতে। তদন্তে পুলিশ বলেছে, মরদেহে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের চিহ্ন স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
রিমান্ডে পাঠানো আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ, এবাদুল্লাহ, হজরত আলী, গফফার, আহমদ আলী, আবদুল ইমরান এবং এয়ুব। রিমান্ড শুনানির সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশ আশা করছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো ঘটনায় যুক্তদের চিহ্নিত করে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা যাবে।
স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে এই ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। নারীমুক্তি কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
পুলিশ ও আদালত জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে এবং মামলার তদন্ত ত্বরান্বিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন