মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও আগমনী মোট ১০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে রোববার (১ মার্চ) সকাল পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিলের এ ঘটনায় বিমানবন্দরে শত শত যাত্রী আটকা পড়েন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ এয়ারফিল্ড ও ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজিয়ন (এফআইআর) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায় নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স তাদের নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। বাতিল হওয়া উল্লেখযোগ্য ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম ফ্লাইট (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২), এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ-চট্টগ্রাম ফ্লাইট (জি৯-৫২০), ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুবাই-চট্টগ্রাম ফ্লাইট (বিএস-৩৪৪) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একাধিক ফ্লাইট।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হলেও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং নতুন নির্দেশনা পাওয়া গেলে পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।
বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের মধ্যে ওমরাহগামী যাত্রী, প্রবাসীকর্মী এবং পর্যটকসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ রয়েছেন। হঠাৎ ফ্লাইট বাতিলের খবরে অনেক যাত্রী দিশাহারা হয়ে পড়েন এবং এয়ারলাইন্সের কাউন্টারগুলোয় ভিড় জমান।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স অথবা বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের হটলাইন ১৩৬৩৬-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে। কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনায় সেখানকার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষও আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও আগমনী মোট ১০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে রোববার (১ মার্চ) সকাল পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিলের এ ঘটনায় বিমানবন্দরে শত শত যাত্রী আটকা পড়েন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ এয়ারফিল্ড ও ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজিয়ন (এফআইআর) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায় নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স তাদের নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। বাতিল হওয়া উল্লেখযোগ্য ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম ফ্লাইট (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২), এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ-চট্টগ্রাম ফ্লাইট (জি৯-৫২০), ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুবাই-চট্টগ্রাম ফ্লাইট (বিএস-৩৪৪) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একাধিক ফ্লাইট।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হলেও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং নতুন নির্দেশনা পাওয়া গেলে পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।
বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের মধ্যে ওমরাহগামী যাত্রী, প্রবাসীকর্মী এবং পর্যটকসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ রয়েছেন। হঠাৎ ফ্লাইট বাতিলের খবরে অনেক যাত্রী দিশাহারা হয়ে পড়েন এবং এয়ারলাইন্সের কাউন্টারগুলোয় ভিড় জমান।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স অথবা বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের হটলাইন ১৩৬৩৬-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে। কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনায় সেখানকার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষও আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন