সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বা আগামীকালের মধ্যে তার সরকারি বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছেড়ে যাচ্ছেন। সরকারি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হলেও ড. ইউনূস যমুনাতেই অবস্থান করছিলেন। যদিও আগে থেকেই গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।
রাজধানীর হেয়ার রোডের ৩০ নম্বরে অবস্থিত যমুনা প্রায় ৩.২৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বাসভবনে থাকতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং এটি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশানে তার ব্যক্তিগত বাসভবনে অবস্থান করছেন।
ড. ইউনূস রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনটি ছেড়ে দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর বসবাসের উপযোগী করতে সেখানে সংস্কার ও অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ শুরু হবে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খলিলুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা এই মাসেই যমুনা ছেড়ে দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংস্কার ও অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা হবে।”
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হেয়ার রোডের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো দুটি বর্তমানে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা তদারককারী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য রয়েছে। এগুলো প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য পুনরায় বরাদ্দ দেওয়া হবে।
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর গত বুধবার সরকারি আবাসন পরিদপ্তর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সরকারি বাসভবন বরাদ্দ দিয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ বাসা খালি রয়েছে এবং সেগুলো বসবাসের উপযোগী করতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সামান্য রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। তবে আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, এ বরাদ্দই চূড়ান্ত নয়; সংশ্লিষ্টদের নামে বরাদ্দপত্র ইস্যু করা হবে এবং প্রয়োজনে রদবদল হতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বা আগামীকালের মধ্যে তার সরকারি বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছেড়ে যাচ্ছেন। সরকারি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হলেও ড. ইউনূস যমুনাতেই অবস্থান করছিলেন। যদিও আগে থেকেই গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।
রাজধানীর হেয়ার রোডের ৩০ নম্বরে অবস্থিত যমুনা প্রায় ৩.২৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বাসভবনে থাকতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং এটি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশানে তার ব্যক্তিগত বাসভবনে অবস্থান করছেন।
ড. ইউনূস রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনটি ছেড়ে দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর বসবাসের উপযোগী করতে সেখানে সংস্কার ও অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ শুরু হবে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খলিলুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা এই মাসেই যমুনা ছেড়ে দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংস্কার ও অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা হবে।”
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হেয়ার রোডের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো দুটি বর্তমানে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা তদারককারী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য রয়েছে। এগুলো প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য পুনরায় বরাদ্দ দেওয়া হবে।
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর গত বুধবার সরকারি আবাসন পরিদপ্তর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সরকারি বাসভবন বরাদ্দ দিয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ বাসা খালি রয়েছে এবং সেগুলো বসবাসের উপযোগী করতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সামান্য রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। তবে আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, এ বরাদ্দই চূড়ান্ত নয়; সংশ্লিষ্টদের নামে বরাদ্দপত্র ইস্যু করা হবে এবং প্রয়োজনে রদবদল হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন