লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা অধীন দিঘলী বাজার–এ ফজরের নামাজের পরপরই একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। দুর্বৃত্তদের আগুন লাগানোর কারণে বাজারের পাঁচটি দোকানঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১০–১২ লাখ টাকার মতো ধরা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফজরের নামাজের কিছুক্ষণ পর মাইকিংয়ের মাধ্যমে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই বাজার ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের মধ্যে রয়েছেন হোসেন মেম্বার (তিনটি দোকান), ইউছুপ হোসেন, নুর হোসেন ও আব্দুল ওদুদ। তারা জানিয়েছেন, আগুনে তাদের দোকানের সমস্ত মালামাল পুড়ে গেছে। রমজান মাসকে সামনে রেখে ব্যবসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। একজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বলেন, “লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। আমরা এখন দিশেহারা। রমজান ও ঈদকে ঘিরে ব্যবসার আশা ছিল, কিন্তু সব শেষ হয়ে গেল।”
লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, তারা ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। তারা লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কাছে আর্থিক সহায়তা দাবি করেছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে তারা আবারও ব্যবসা শুরু করতে সক্ষম হবেন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। স্থানীয় সচেতন মহল দিঘলী বাজারে রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং সিসিটিভি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা অধীন দিঘলী বাজার–এ ফজরের নামাজের পরপরই একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। দুর্বৃত্তদের আগুন লাগানোর কারণে বাজারের পাঁচটি দোকানঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১০–১২ লাখ টাকার মতো ধরা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফজরের নামাজের কিছুক্ষণ পর মাইকিংয়ের মাধ্যমে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই বাজার ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের মধ্যে রয়েছেন হোসেন মেম্বার (তিনটি দোকান), ইউছুপ হোসেন, নুর হোসেন ও আব্দুল ওদুদ। তারা জানিয়েছেন, আগুনে তাদের দোকানের সমস্ত মালামাল পুড়ে গেছে। রমজান মাসকে সামনে রেখে ব্যবসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। একজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বলেন, “লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। আমরা এখন দিশেহারা। রমজান ও ঈদকে ঘিরে ব্যবসার আশা ছিল, কিন্তু সব শেষ হয়ে গেল।”
লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, তারা ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। তারা লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কাছে আর্থিক সহায়তা দাবি করেছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে তারা আবারও ব্যবসা শুরু করতে সক্ষম হবেন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। স্থানীয় সচেতন মহল দিঘলী বাজারে রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং সিসিটিভি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

আপনার মতামত লিখুন