মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে এক কিশোর। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের চিমনা গ্রামের বিলে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যুতের উঁচু খুঁটিতে ওঠা কিশোরের নাম সুমন। সে একই গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে চিমনা গ্রামের পাশের বিলের মধ্যে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন (হাই ভোল্টেজ) খুঁটিতে তাকে বসে থাকতে দেখে কয়েকজন কৃষক। বিষয়টি দ্রুত বিদ্যুৎ অফিসকে জানানো হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে তানোর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
তানোর ফায়ার সার্ভিস অফিসের সাব-অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরটিকে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটির ওপর থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সুমন বাকপ্রতিবন্ধী। কয়েক দিন ধরে সে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ফোন কিনে না দেওয়ায় বাড়ির পাশের মাঠে গিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে বসে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে এক কিশোর। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের চিমনা গ্রামের বিলে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যুতের উঁচু খুঁটিতে ওঠা কিশোরের নাম সুমন। সে একই গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে চিমনা গ্রামের পাশের বিলের মধ্যে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন (হাই ভোল্টেজ) খুঁটিতে তাকে বসে থাকতে দেখে কয়েকজন কৃষক। বিষয়টি দ্রুত বিদ্যুৎ অফিসকে জানানো হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে তানোর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
তানোর ফায়ার সার্ভিস অফিসের সাব-অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরটিকে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটির ওপর থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সুমন বাকপ্রতিবন্ধী। কয়েক দিন ধরে সে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ফোন কিনে না দেওয়ায় বাড়ির পাশের মাঠে গিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে বসে।

আপনার মতামত লিখুন