হাওরাঞ্চলের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকার ‘পাহারাদারে’র মতো কঠোর ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাওরে চলমান ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, অতীতে বাঁধ নির্মাণে নানা অভিযোগ ও অনিয়ম হলেও বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলে এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।
পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় হাওরাঞ্চলের বাঁধের কাজ তদারকি করা হচ্ছে। ডুবন্ত বাঁধের মাধ্যমে কৃষকের ফসল রক্ষা করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এই মহতী উদ্যোগে দুর্নীতির কারণে যেন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ না হয়, সেজন্য প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। তিনি এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক কর্মী ও সচেতন নাগরিকদের অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
নদী ও খাল খনন প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ক্যাপিটাল ড্রেজিং বা মূল খনন কাজের মাধ্যমে নদী ও খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট রয়েছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও সরকার কড়া নজরদারি বজায় রাখবে। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে বাঁধের কাজ শেষ করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওর পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের ৪টি আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, কয়ছর এম আহমেদ, নুরুল ইসলাম এবং কামরুজ্জামান কামরুলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হাওরাঞ্চলের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকার ‘পাহারাদারে’র মতো কঠোর ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাওরে চলমান ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, অতীতে বাঁধ নির্মাণে নানা অভিযোগ ও অনিয়ম হলেও বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলে এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।
পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় হাওরাঞ্চলের বাঁধের কাজ তদারকি করা হচ্ছে। ডুবন্ত বাঁধের মাধ্যমে কৃষকের ফসল রক্ষা করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এই মহতী উদ্যোগে দুর্নীতির কারণে যেন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ না হয়, সেজন্য প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। তিনি এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক কর্মী ও সচেতন নাগরিকদের অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
নদী ও খাল খনন প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ক্যাপিটাল ড্রেজিং বা মূল খনন কাজের মাধ্যমে নদী ও খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট রয়েছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও সরকার কড়া নজরদারি বজায় রাখবে। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে বাঁধের কাজ শেষ করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওর পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের ৪টি আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, কয়ছর এম আহমেদ, নুরুল ইসলাম এবং কামরুজ্জামান কামরুলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন