রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় গত রাতের বিশেষ অভিযানের পর জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এই অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৯৫–১০০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও মাদকের সঙ্গে জড়িতরা রয়েছেন। অনেককে মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, অভিযানটি রমজান মাসে সাধারণ মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা পালন ও ঈদ উদযাপন করতে পারে সেই উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে। সোয়াট টিম এবং ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় অভিযানটি কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির নিজে মোহাম্মদপুরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না এবং কঠোরভাবে মোকাবিলা চালানো হবে। পুলিশের পর্যাপ্ত উপস্থিতি জনমনে নিরাপত্তা বোধ বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, অভিযানের কারণে হামলা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি কমে আসার আশা তারা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদপুর–আদাবরে এই ধরনের সমন্বিত অভিযান জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও নিয়মিত এই ধরনের অভিযান চালানো হবে, যাতে নগরের প্রতিটি অংশে সাধারণ মানুষ নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় গত রাতের বিশেষ অভিযানের পর জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এই অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৯৫–১০০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও মাদকের সঙ্গে জড়িতরা রয়েছেন। অনেককে মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, অভিযানটি রমজান মাসে সাধারণ মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা পালন ও ঈদ উদযাপন করতে পারে সেই উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে। সোয়াট টিম এবং ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় অভিযানটি কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির নিজে মোহাম্মদপুরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না এবং কঠোরভাবে মোকাবিলা চালানো হবে। পুলিশের পর্যাপ্ত উপস্থিতি জনমনে নিরাপত্তা বোধ বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, অভিযানের কারণে হামলা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি কমে আসার আশা তারা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদপুর–আদাবরে এই ধরনের সমন্বিত অভিযান জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও নিয়মিত এই ধরনের অভিযান চালানো হবে, যাতে নগরের প্রতিটি অংশে সাধারণ মানুষ নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন