মাধবদীতে এক কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত নূরা এখনও পলাতক রয়েছেন।
প্রায় ১৫ দিন আগে কিশোরীটি বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় এক দুষ্কৃতচক্র তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন যুবক নূরা। পরবর্তীতে কিশোরীর পরিবার অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি মামলা মিটিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালিয়েছে।
বুধবার রাতে একই অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা কিশোরীকে পুনরায় ধরে নিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয়রা তার মৃতদেহ একটি সরিষার মাঠে পড়ে থাকতে দেখে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের মা বৃহস্পতিবার মাধবদী থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশের হাতে ইতিমধ্যেই পাঁচজন গ্রেফতার হয়েছেন। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং নূরার আত্মীয়। মূল আসামি নূরা এখনও পলাতক, এবং তাকে ধরতে জেলা ও জেলার বাইরে অভিযান চলছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অপরাধীরা তাদের মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করেছে। স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা সুষ্ঠু বিচার এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তে তৎপর রয়েছে, এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিষয়টি তদারকিতে রয়েছেন।
নরসিংদীর এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় নজর কাড়া প্রতিবাদ এবং সমালোচনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নূরাকে গ্রেফতার করা এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হলে সুষ্ঠু বিচার কার্যকর হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাধবদীতে এক কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত নূরা এখনও পলাতক রয়েছেন।
প্রায় ১৫ দিন আগে কিশোরীটি বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় এক দুষ্কৃতচক্র তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন যুবক নূরা। পরবর্তীতে কিশোরীর পরিবার অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি মামলা মিটিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালিয়েছে।
বুধবার রাতে একই অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা কিশোরীকে পুনরায় ধরে নিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয়রা তার মৃতদেহ একটি সরিষার মাঠে পড়ে থাকতে দেখে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের মা বৃহস্পতিবার মাধবদী থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশের হাতে ইতিমধ্যেই পাঁচজন গ্রেফতার হয়েছেন। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং নূরার আত্মীয়। মূল আসামি নূরা এখনও পলাতক, এবং তাকে ধরতে জেলা ও জেলার বাইরে অভিযান চলছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অপরাধীরা তাদের মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করেছে। স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা সুষ্ঠু বিচার এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তে তৎপর রয়েছে, এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিষয়টি তদারকিতে রয়েছেন।
নরসিংদীর এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় নজর কাড়া প্রতিবাদ এবং সমালোচনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নূরাকে গ্রেফতার করা এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হলে সুষ্ঠু বিচার কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন