ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল সাঈদ এবং তার কার্যসহকারী আবু নাসেরকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ঘুষের টাকা নিয়ে হাতেনাতে আটক করেছে। অভিযানটি বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের অফিসে পরিচালিত হয়।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আটক কর্মকর্তারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বিলের অর্থ মুক্তির শর্তে ঠিকাদারদের ঘুষ দাবি করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মোট ১২ লাখ টাকার ঘুষ দাবি করা হয়। এর মধ্যে ঠিকাদার হুমায়ুন কবির রানার প্রথমে ৫.৫ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে ১ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার সময় দুদক তাদের আটক করে।
অভিযানের সময় দুদক কর্মকর্তারা ঘুষের টাকা হাতে পাওয়ার পরই তাদের গ্রেপ্তার করেন, যা “হাতেনাতে আটক” হিসেবে পরিচিত। আটককৃতরা আইনানুগ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে হাজির করা হবে।
দুদক ফেনী-নোয়াখালী অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের অভিযান স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন সংস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। সরকারি প্রকল্পের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং দায়িত্বপালনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ ধরনের পদক্ষেপ অপরিহার্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল সাঈদ এবং তার কার্যসহকারী আবু নাসেরকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ঘুষের টাকা নিয়ে হাতেনাতে আটক করেছে। অভিযানটি বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের অফিসে পরিচালিত হয়।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আটক কর্মকর্তারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বিলের অর্থ মুক্তির শর্তে ঠিকাদারদের ঘুষ দাবি করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মোট ১২ লাখ টাকার ঘুষ দাবি করা হয়। এর মধ্যে ঠিকাদার হুমায়ুন কবির রানার প্রথমে ৫.৫ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে ১ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার সময় দুদক তাদের আটক করে।
অভিযানের সময় দুদক কর্মকর্তারা ঘুষের টাকা হাতে পাওয়ার পরই তাদের গ্রেপ্তার করেন, যা “হাতেনাতে আটক” হিসেবে পরিচিত। আটককৃতরা আইনানুগ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে হাজির করা হবে।
দুদক ফেনী-নোয়াখালী অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের অভিযান স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন সংস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। সরকারি প্রকল্পের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং দায়িত্বপালনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ ধরনের পদক্ষেপ অপরিহার্য।

আপনার মতামত লিখুন