মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের একটি আলুক্ষেতে কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণে এক শিশু মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, শিশুটি মাঠে খেলতে গিয়ে মাটি থেকে লাল টেপ দিয়ে মোড়া একটি বিস্ফোরক হাতে নেয়। কিছু সময়ের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে এবং শিশু গুরুতর আহত হয়।
আহত শিশুর নাম মোস্তাকিম, বয়স সাত-আট বছর। তিনি ওই এলাকার স্থানীয় আল আমিনের ছেলে। বিস্ফোরণের ফলে তার ডান হাতের আঙুল ও কিছু অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে এবং ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে। পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি অনির্দিষ্ট সূত্রের ককটেল বিস্ফোরক, যা শিশু বা স্থানীয়দের জন্য মারাত্মক বিপদ তৈরি করতে পারে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অব্যবহৃত জমি বা মাঠে পাওয়া অজানা বিস্ফোরক কাছে নেওয়া বা স্পর্শ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মুন্সিগঞ্জের এই দুর্ঘটনা শিশুদের নিরাপত্তা এবং অব্যবহৃত বিস্ফোরকের ঝুঁকির দিকে পুনরায় সতর্কতার বার্তা দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের একটি আলুক্ষেতে কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণে এক শিশু মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, শিশুটি মাঠে খেলতে গিয়ে মাটি থেকে লাল টেপ দিয়ে মোড়া একটি বিস্ফোরক হাতে নেয়। কিছু সময়ের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে এবং শিশু গুরুতর আহত হয়।
আহত শিশুর নাম মোস্তাকিম, বয়স সাত-আট বছর। তিনি ওই এলাকার স্থানীয় আল আমিনের ছেলে। বিস্ফোরণের ফলে তার ডান হাতের আঙুল ও কিছু অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে এবং ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে। পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি অনির্দিষ্ট সূত্রের ককটেল বিস্ফোরক, যা শিশু বা স্থানীয়দের জন্য মারাত্মক বিপদ তৈরি করতে পারে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অব্যবহৃত জমি বা মাঠে পাওয়া অজানা বিস্ফোরক কাছে নেওয়া বা স্পর্শ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মুন্সিগঞ্জের এই দুর্ঘটনা শিশুদের নিরাপত্তা এবং অব্যবহৃত বিস্ফোরকের ঝুঁকির দিকে পুনরায় সতর্কতার বার্তা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন