ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

পঞ্চগড়ে বন্ধ চা কারখানা খুলে দিতে চা চাষীদের স্মারকলিপি প্রদান


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পঞ্চগড়ে বন্ধ চা কারখানা খুলে দিতে চা চাষীদের স্মারকলিপি প্রদান

পঞ্চগড়ের ক্ষুদ্র চা চাষী ও শ্রমিকরা বন্ধ হয়ে পড়া চা কারখানা পুনরায় চালু করার দাবিতে আজ মানববন্ধন পালন করেছেন। এসময় তারা বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

চা চাষীরা জানিয়েছেন, উত্তরা গ্রীন টী নামে এই কারখানা ২০২০ সালে চালু হলেও নানা অনিয়ম ও কাগজপত্রের জটিলতার কারণে ২০২৫ সালের নভেম্বরে বন্ধ হয়ে যায়। কারখানা বন্ধ থাকায় চা চাষীরা ন্যায্য মূল্যে চা বিক্রি করতে পারছেন না এবং বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে দাম কমে যাচ্ছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চা চাষীরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১লা মার্চ থেকে চা পাতার কেনাকাটা শুরু করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তারা স্মারকলিপিতে কারখানা দ্রুত চালু করার পাশাপাশি চা পাতা কেনাকাটায় সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় অফিস জানায়, কারখানা বন্ধ থাকার পেছনে মূলত নিবন্ধন ও কাগজপত্রের জটিলতা দায়ী। তবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলে কারখানাটি পুনরায় চালু করা সম্ভব।

স্থানীয় চা চাষীরা মনে করেন, কারখানা পুনরায় চালু হলে তাদের আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পঞ্চগড়ের চা শিল্পে এমন উদ্যোগ স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


পঞ্চগড়ে বন্ধ চা কারখানা খুলে দিতে চা চাষীদের স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পঞ্চগড়ের ক্ষুদ্র চা চাষী ও শ্রমিকরা বন্ধ হয়ে পড়া চা কারখানা পুনরায় চালু করার দাবিতে আজ মানববন্ধন পালন করেছেন। এসময় তারা বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

চা চাষীরা জানিয়েছেন, উত্তরা গ্রীন টী নামে এই কারখানা ২০২০ সালে চালু হলেও নানা অনিয়ম ও কাগজপত্রের জটিলতার কারণে ২০২৫ সালের নভেম্বরে বন্ধ হয়ে যায়। কারখানা বন্ধ থাকায় চা চাষীরা ন্যায্য মূল্যে চা বিক্রি করতে পারছেন না এবং বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে দাম কমে যাচ্ছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চা চাষীরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১লা মার্চ থেকে চা পাতার কেনাকাটা শুরু করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তারা স্মারকলিপিতে কারখানা দ্রুত চালু করার পাশাপাশি চা পাতা কেনাকাটায় সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় অফিস জানায়, কারখানা বন্ধ থাকার পেছনে মূলত নিবন্ধন ও কাগজপত্রের জটিলতা দায়ী। তবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলে কারখানাটি পুনরায় চালু করা সম্ভব।

স্থানীয় চা চাষীরা মনে করেন, কারখানা পুনরায় চালু হলে তাদের আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পঞ্চগড়ের চা শিল্পে এমন উদ্যোগ স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ