কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় একটি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ ও আগুন লেগেছে, এতে কমপক্ষে ১৫‑১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন, যার মধ্যে ৬‑৭ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে (চমেক) ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, ফিলিং স্টেশনটি চালু হওয়ার আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল না এবং দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস লিকেজ ছিল। বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশেপাশের দোকান, বাড়ি ও পর্যটক পরিবহনের জিপে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে অনেকের শরীরে ২০% থেকে ৯০% পর্যন্ত পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন রয়েছে। শ্বাসনালী ও শ্বাসতন্ত্রে ক্ষতি দেখা দিয়েছে, যার কারণে ৩‑৪ জনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসকের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ফিলিং স্টেশনটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই চালু ছিল, যা এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে। ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি জোরদার করার জন্য কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। দুর্ঘটনার কারণে এলাকার পরিবেশ সাময়িকভাবে অস্থিতিশীল হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় একটি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ ও আগুন লেগেছে, এতে কমপক্ষে ১৫‑১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন, যার মধ্যে ৬‑৭ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে (চমেক) ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, ফিলিং স্টেশনটি চালু হওয়ার আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল না এবং দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস লিকেজ ছিল। বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশেপাশের দোকান, বাড়ি ও পর্যটক পরিবহনের জিপে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে অনেকের শরীরে ২০% থেকে ৯০% পর্যন্ত পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন রয়েছে। শ্বাসনালী ও শ্বাসতন্ত্রে ক্ষতি দেখা দিয়েছে, যার কারণে ৩‑৪ জনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসকের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ফিলিং স্টেশনটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই চালু ছিল, যা এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে। ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি জোরদার করার জন্য কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। দুর্ঘটনার কারণে এলাকার পরিবেশ সাময়িকভাবে অস্থিতিশীল হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন