চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস ও কোস্ট গার্ড। শহরের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সীতাকুণ্ড পোর্ট এ অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে একটি ফ্লাইট থেকে যৌথ তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৯১০ কার্টুন বিদেশি সিগারেট, ৪২৮টি আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম এবং ১৫টি মোবাইল ফোন। যাত্রীদের সতর্ক করে ছাড়া করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মালামাল কেন্দ্রীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে।
এর আগে ১৫–১৬ ফেব্রুয়ারি কোস্ট গার্ড সীতাকুণ্ড পোর্ট এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও ভারতীয় কাপড় আটক করে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৯ কোটি টাকা। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, এসব মালামাল পরে কর ও শুল্ক ব্যবস্থাপনায় নেওয়া হবে।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ও এর আশপাশের এলাকায় বিদেশি সিগারেট ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য পাচারের ঘটনা নতুন নয়। ২০২৫ সালে একাধিক অভিযানে বিমানবন্দর ও পোর্ট থেকে মিলিয়নের পর মিলিয়ন কার্টুন সিগারেট জব্দ করা হয়েছিল। এসব ঘটনায় শুল্ক ফাঁকি, ভুয়া ঘোষণার মাধ্যমে আমদানি এবং অনুমতি ছাড়া বাণিজ্য চালানোর চেষ্টার দিকগুলি স্পষ্ট হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে অবৈধ সিগারেট ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য পাচারের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে চলমান। কাস্টমস ও কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এসব চোরাচালান প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তবে এর পিছনে থাকা পাচার চক্র এবং শুল্ক ফাঁকির কৌশল এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস ও কোস্ট গার্ড। শহরের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সীতাকুণ্ড পোর্ট এ অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে একটি ফ্লাইট থেকে যৌথ তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৯১০ কার্টুন বিদেশি সিগারেট, ৪২৮টি আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম এবং ১৫টি মোবাইল ফোন। যাত্রীদের সতর্ক করে ছাড়া করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মালামাল কেন্দ্রীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে।
এর আগে ১৫–১৬ ফেব্রুয়ারি কোস্ট গার্ড সীতাকুণ্ড পোর্ট এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও ভারতীয় কাপড় আটক করে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৯ কোটি টাকা। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, এসব মালামাল পরে কর ও শুল্ক ব্যবস্থাপনায় নেওয়া হবে।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ও এর আশপাশের এলাকায় বিদেশি সিগারেট ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য পাচারের ঘটনা নতুন নয়। ২০২৫ সালে একাধিক অভিযানে বিমানবন্দর ও পোর্ট থেকে মিলিয়নের পর মিলিয়ন কার্টুন সিগারেট জব্দ করা হয়েছিল। এসব ঘটনায় শুল্ক ফাঁকি, ভুয়া ঘোষণার মাধ্যমে আমদানি এবং অনুমতি ছাড়া বাণিজ্য চালানোর চেষ্টার দিকগুলি স্পষ্ট হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে অবৈধ সিগারেট ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য পাচারের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে চলমান। কাস্টমস ও কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এসব চোরাচালান প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তবে এর পিছনে থাকা পাচার চক্র এবং শুল্ক ফাঁকির কৌশল এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন