ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচী। যাত্রীরা যাতে ঘরমুখী ভিড় এড়াতে এবং সঠিক সময়ে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, তার জন্য নির্দিষ্ট তারিখে বিক্রি শুরু হবে।
আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৩ মার্চ ২০২৬ থেকে, যা প্রথম দিন ১৩ মার্চ যাত্রার জন্য প্রযোজ্য। এরপরের দিনগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বিক্রি হবে এবং প্রতিদিনের বিক্রয় অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখের যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে। উদাহরণস্বরূপ, ৪ মার্চ ১৪ মার্চের, ৫ মার্চ ১৫ মার্চের, ৬ মার্চ ১৬ মার্চের টিকিট পাওয়া যাবে। এই ধারা ৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার জন্য ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ থেকে, যা ২৩ মার্চ যাত্রার জন্য প্রযোজ্য। যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলওয়ে নিশ্চিত করেছে যে এই টিকেটগুলো শতভাগ অনলাইনে বিক্রি হবে। কাউন্টারে সরাসরি বিক্রি করা হবে না। এছাড়া বিক্রয় প্রতিদিন দুই ধাপে হবে সকাল ও দুপুরে, যাতে লগইনের চাপ কমানো যায়।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ এবং সময়মতো স্টেশনে পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছে। পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে লগইন করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর ঈদে লক্ষাধিক মানুষ ট্রেনে ঘরমুখী হয়, তাই এই সময়সূচী ভিড় ও যাত্রার ব্যাঘাত কমাতে সাহায্য করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচী। যাত্রীরা যাতে ঘরমুখী ভিড় এড়াতে এবং সঠিক সময়ে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, তার জন্য নির্দিষ্ট তারিখে বিক্রি শুরু হবে।
আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৩ মার্চ ২০২৬ থেকে, যা প্রথম দিন ১৩ মার্চ যাত্রার জন্য প্রযোজ্য। এরপরের দিনগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বিক্রি হবে এবং প্রতিদিনের বিক্রয় অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখের যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে। উদাহরণস্বরূপ, ৪ মার্চ ১৪ মার্চের, ৫ মার্চ ১৫ মার্চের, ৬ মার্চ ১৬ মার্চের টিকিট পাওয়া যাবে। এই ধারা ৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার জন্য ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ থেকে, যা ২৩ মার্চ যাত্রার জন্য প্রযোজ্য। যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলওয়ে নিশ্চিত করেছে যে এই টিকেটগুলো শতভাগ অনলাইনে বিক্রি হবে। কাউন্টারে সরাসরি বিক্রি করা হবে না। এছাড়া বিক্রয় প্রতিদিন দুই ধাপে হবে সকাল ও দুপুরে, যাতে লগইনের চাপ কমানো যায়।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ এবং সময়মতো স্টেশনে পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছে। পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে লগইন করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর ঈদে লক্ষাধিক মানুষ ট্রেনে ঘরমুখী হয়, তাই এই সময়সূচী ভিড় ও যাত্রার ব্যাঘাত কমাতে সাহায্য করবে।

আপনার মতামত লিখুন