নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান আজ সকালেই আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা দ্রুততর করার জন্য একটি ৬০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য একটি “ধুলাবালুমুক্ত ও ঝামেলামুক্ত” শহর গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। প্রশাসক হিসেবে এই দায়িত্বকে তিনি একটি পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এই কর্মসূচি অনুযায়ী নগরের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাটের সংস্কার ও উন্নয়ন, যাতে যান চলাচল সহজ ও নিরাপদ হয়। এছাড়া, নগরের দীর্ঘদিনের সমস্যা যানজট কমানো এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে যান চলাচল দ্রুততর করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। ফুটপাত ও হকারদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পথচারীদের চলাচল সহজ করা এবং নগরের জনসাধারণের সুবিধা নিশ্চিত করা কর্মসূচির অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
পানির নিরাপদ ও বিশুদ্ধ সরবরাহ নিশ্চিত করাও এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে। নগরবাসীর জন্য ন্যায্য ও নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি, শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে নাগরিকদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা নিশ্চিত হয়।
স্থানীয় নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সময়সীমাভিত্তিক এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরের যানজট, রাস্তাঘাট, পানি সরবরাহ ও পরিচ্ছন্নতার মতো সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে। প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান নিজে বলেছেন, তিনি একটি বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন এবং নগরবাসীর সহযোগিতা থাকলে এই কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।
মোটের উপর, নারায়ণগঞ্জ সিটির এই ৬০ দিনের কর্মসূচি নগরবাসীর দৈনন্দিন সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং নগরীকে পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও সবুজ শহরে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়ে পরিকল্পিত। রাস্তাঘাট, ফুটপাত, পানি সরবরাহ, যানজট এবং পরিচ্ছন্নতার উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে নগরবাসীর জীবনযাত্রা সহজ ও সুরক্ষিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান আজ সকালেই আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা দ্রুততর করার জন্য একটি ৬০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য একটি “ধুলাবালুমুক্ত ও ঝামেলামুক্ত” শহর গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। প্রশাসক হিসেবে এই দায়িত্বকে তিনি একটি পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এই কর্মসূচি অনুযায়ী নগরের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাটের সংস্কার ও উন্নয়ন, যাতে যান চলাচল সহজ ও নিরাপদ হয়। এছাড়া, নগরের দীর্ঘদিনের সমস্যা যানজট কমানো এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে যান চলাচল দ্রুততর করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। ফুটপাত ও হকারদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পথচারীদের চলাচল সহজ করা এবং নগরের জনসাধারণের সুবিধা নিশ্চিত করা কর্মসূচির অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
পানির নিরাপদ ও বিশুদ্ধ সরবরাহ নিশ্চিত করাও এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে। নগরবাসীর জন্য ন্যায্য ও নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি, শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে নাগরিকদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা নিশ্চিত হয়।
স্থানীয় নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সময়সীমাভিত্তিক এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরের যানজট, রাস্তাঘাট, পানি সরবরাহ ও পরিচ্ছন্নতার মতো সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে। প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান নিজে বলেছেন, তিনি একটি বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন এবং নগরবাসীর সহযোগিতা থাকলে এই কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।
মোটের উপর, নারায়ণগঞ্জ সিটির এই ৬০ দিনের কর্মসূচি নগরবাসীর দৈনন্দিন সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং নগরীকে পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও সবুজ শহরে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়ে পরিকল্পিত। রাস্তাঘাট, ফুটপাত, পানি সরবরাহ, যানজট এবং পরিচ্ছন্নতার উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে নগরবাসীর জীবনযাত্রা সহজ ও সুরক্ষিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন