বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আজ হঠাৎ ব্যাংক ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি সামাজিক ও সংবাদ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, গভর্নরের পদত্যাগ বা সরিয়ে নেওয়ার পেছনে সরকারের চাপ এবং অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের প্রভাব থাকতে পারে।
গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলনে গভর্নরের আচরণকে ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যায়িত করার ঘটনায় শোকজ এবং বদলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ পরিবেশে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
আজ ব্যাংকের কর্মকর্তারা অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা করেছেন। তারা বদলির আদেশ প্রত্যাহার এবং গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেন। কর্মীরা দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
গভর্নরের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে সরকারি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গভর্নরের নীতিগত পদক্ষেপ যেমন খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক সংস্কার কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকের শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক চাপই পদত্যাগের অন্যতম কারণ হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন গভর্নরের অধীনে ব্যাংকের নীতি ও সংস্কার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকল ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আজ হঠাৎ ব্যাংক ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি সামাজিক ও সংবাদ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, গভর্নরের পদত্যাগ বা সরিয়ে নেওয়ার পেছনে সরকারের চাপ এবং অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের প্রভাব থাকতে পারে।
গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলনে গভর্নরের আচরণকে ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যায়িত করার ঘটনায় শোকজ এবং বদলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ পরিবেশে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
আজ ব্যাংকের কর্মকর্তারা অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা করেছেন। তারা বদলির আদেশ প্রত্যাহার এবং গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেন। কর্মীরা দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
গভর্নরের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে সরকারি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গভর্নরের নীতিগত পদক্ষেপ যেমন খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক সংস্কার কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকের শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক চাপই পদত্যাগের অন্যতম কারণ হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন গভর্নরের অধীনে ব্যাংকের নীতি ও সংস্কার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকল ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন