বরিশাল জেলা আদালতের এজলাসে ঘটে যাওয়া হট্টগোলের ঘটনায় আদালতের স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আদালত কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তাকে আদালত চত্বর থেকেই আটক করে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি রাজনৈতিক মামলার জামিন আদেশকে কেন্দ্র করে। এ আদেশের পর দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। তাদের বাক-বিতণ্ডা ধীরে ধীরে সংঘর্ষের দিকে ধাবিত হলে এজলাসের ভেতরে বেঞ্চ–চেয়ার নড়াচড়া, উচ্চস্বরে হট্টগোল এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। আদালতের বিচার কার্যক্রম থমকে যায় এবং উপস্থিত বিচারক কক্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এ অবস্থায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আদালত কক্ষে প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে আদালতের ভেতরে ভাঙচুর, বিচার কার্যক্রম ব্যাহত করা এবং উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগে আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতের হাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর আইনজীবীদের একটি বড় অংশ আদালত চত্বরে বিক্ষোভে নামেন। তারা দাবি করেন, পুলিশ যথাযথ কারণ ছাড়া তাদের সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এটি আইনজীবীদের সম্মানহানি। অন্যদিকে আরেক অংশের আইনজীবী মনে করেন— আদালতের ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ, এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আদালতের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা ও বিচারিক পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে বরিশালের আইনজীবী মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আদালতের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
ঘটনার তদন্ত চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশাল জেলা আদালতের এজলাসে ঘটে যাওয়া হট্টগোলের ঘটনায় আদালতের স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আদালত কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তাকে আদালত চত্বর থেকেই আটক করে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি রাজনৈতিক মামলার জামিন আদেশকে কেন্দ্র করে। এ আদেশের পর দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। তাদের বাক-বিতণ্ডা ধীরে ধীরে সংঘর্ষের দিকে ধাবিত হলে এজলাসের ভেতরে বেঞ্চ–চেয়ার নড়াচড়া, উচ্চস্বরে হট্টগোল এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। আদালতের বিচার কার্যক্রম থমকে যায় এবং উপস্থিত বিচারক কক্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এ অবস্থায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আদালত কক্ষে প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে আদালতের ভেতরে ভাঙচুর, বিচার কার্যক্রম ব্যাহত করা এবং উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগে আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতের হাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর আইনজীবীদের একটি বড় অংশ আদালত চত্বরে বিক্ষোভে নামেন। তারা দাবি করেন, পুলিশ যথাযথ কারণ ছাড়া তাদের সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এটি আইনজীবীদের সম্মানহানি। অন্যদিকে আরেক অংশের আইনজীবী মনে করেন— আদালতের ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ, এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আদালতের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা ও বিচারিক পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে বরিশালের আইনজীবী মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আদালতের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
ঘটনার তদন্ত চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন