বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের তক্তাবুনিয়া গ্রামে মঙ্গলবার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুত্রবধূ লামিয়া বেগম (২০) গভীর রাতে কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর আহত হন। তাকে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
পুত্রবধূর মৃত্যুর খবরটি শোনার পর তার শ্বশুর মোস্তফা প্যাদা (৭০) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিকেলের দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণে তাঁর হঠাৎ মৃত্যু ঘটেছে।
একই দিনে পরিবারে এই দুটি মৃত্যু ঘটায় গ্রামবাসী দুঃখ ও বিস্ময়ে স্তব্ধ। স্থানীয়রা জানান, পরিবার ও এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য বলেন, “পরিবারের উপর একসঙ্গে এত চরম দুর্ভাগ্য এসেছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।”
স্থানীয়রা এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারকে মানসিক সহায়তা দিচ্ছেন। তবে একই বাড়িতে একসঙ্গে দুই মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের নাজুকতা আবারও সামনে এনেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের তক্তাবুনিয়া গ্রামে মঙ্গলবার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুত্রবধূ লামিয়া বেগম (২০) গভীর রাতে কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর আহত হন। তাকে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
পুত্রবধূর মৃত্যুর খবরটি শোনার পর তার শ্বশুর মোস্তফা প্যাদা (৭০) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিকেলের দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণে তাঁর হঠাৎ মৃত্যু ঘটেছে।
একই দিনে পরিবারে এই দুটি মৃত্যু ঘটায় গ্রামবাসী দুঃখ ও বিস্ময়ে স্তব্ধ। স্থানীয়রা জানান, পরিবার ও এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য বলেন, “পরিবারের উপর একসঙ্গে এত চরম দুর্ভাগ্য এসেছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।”
স্থানীয়রা এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারকে মানসিক সহায়তা দিচ্ছেন। তবে একই বাড়িতে একসঙ্গে দুই মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের নাজুকতা আবারও সামনে এনেছে।

আপনার মতামত লিখুন