ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলায় ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর একটি নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। একটি প্রতিবন্ধী নারী, যিনি বাক/বাক‑প্রতিবন্ধী এবং এক সন্তানের জননী, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে একদল যুবকের হাতে আক্রান্ত হন। তারা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে নিয়ে অচেতন করে রাতভর শারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে তাকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে গুরুতর আঘাত রয়েছে এবং তাকে বিশেষ পরিচর্যা প্রয়োজন।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শেষে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. রাকিব (৩০), মো. জুয়েল (৩৫) এবং আল আমিন সম্রাট (২০)। তবে কিছু অপর আসামি এখনও পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তজুমদ্দিন থানায় দায়ের করা হয়েছে।
ভোলা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, “ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” পুলিশ ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করছে। এই নৃশংস ঘটনার খবর স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হচ্ছে, এবং মামলার তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলায় ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর একটি নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। একটি প্রতিবন্ধী নারী, যিনি বাক/বাক‑প্রতিবন্ধী এবং এক সন্তানের জননী, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে একদল যুবকের হাতে আক্রান্ত হন। তারা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে নিয়ে অচেতন করে রাতভর শারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে তাকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে গুরুতর আঘাত রয়েছে এবং তাকে বিশেষ পরিচর্যা প্রয়োজন।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শেষে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. রাকিব (৩০), মো. জুয়েল (৩৫) এবং আল আমিন সম্রাট (২০)। তবে কিছু অপর আসামি এখনও পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তজুমদ্দিন থানায় দায়ের করা হয়েছে।
ভোলা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, “ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” পুলিশ ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করছে। এই নৃশংস ঘটনার খবর স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হচ্ছে, এবং মামলার তদন্ত ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন