আগামী ২ মার্চ বাংলাদেশে উদযাপিত হবে জাতীয় ভোটার দিবস‑২০২৬, যার প্রতিপাদ্য ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) “ভোটারদের শক্তি গণতন্ত্রের মুক্তি”। ইসি জানিয়েছে, এবারের দিবসের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
নির্বাচন কমিশন সারাদেশে দিবস উদযাপনের জন্য ৫৭০টি কমিটি গঠন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটি। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের ৩৫ সদস্যের কমিটি দিবসের সার্বিক পরিকল্পনা ও তদারকির দায়িত্বে থাকবে। বিভাগীয় কমিটি বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে, জেলা কমিটি জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা কমিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ভোটার দিবস উদযাপন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, কমিউনিটি সেন্টার ও জনসভায় আলোচনা সভা, র্যালি, ব্যানার প্রদর্শনী এবং সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ইসি রাজনৈতিক দল ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানাবে যাতে দিবসটি সমন্বিত ও সফলভাবে উদযাপিত হয়।
ইসি আশা প্রকাশ করেছে, ভোটার দিবসের মাধ্যমে নাগরিকরা ভোট প্রদানের গুরুত্ব ও তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হবেন। এদিনের উদযাপন আগামী নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী ২ মার্চ বাংলাদেশে উদযাপিত হবে জাতীয় ভোটার দিবস‑২০২৬, যার প্রতিপাদ্য ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) “ভোটারদের শক্তি গণতন্ত্রের মুক্তি”। ইসি জানিয়েছে, এবারের দিবসের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
নির্বাচন কমিশন সারাদেশে দিবস উদযাপনের জন্য ৫৭০টি কমিটি গঠন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটি। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের ৩৫ সদস্যের কমিটি দিবসের সার্বিক পরিকল্পনা ও তদারকির দায়িত্বে থাকবে। বিভাগীয় কমিটি বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে, জেলা কমিটি জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা কমিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ভোটার দিবস উদযাপন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, কমিউনিটি সেন্টার ও জনসভায় আলোচনা সভা, র্যালি, ব্যানার প্রদর্শনী এবং সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ইসি রাজনৈতিক দল ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানাবে যাতে দিবসটি সমন্বিত ও সফলভাবে উদযাপিত হয়।
ইসি আশা প্রকাশ করেছে, ভোটার দিবসের মাধ্যমে নাগরিকরা ভোট প্রদানের গুরুত্ব ও তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হবেন। এদিনের উদযাপন আগামী নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন