সরকার দেশের দরিদ্র, প্রান্তিক ও নিম্ন‑মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগ শুরু করতে যাচ্ছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সভায় এটি চূড়ান্ত করে দেওয়া হয়েছে যে আগামী ১০ মার্চ ২০২৬ থেকে দেশের প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি উপজেলায় এই কার্ড বিতরণের পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। এতে কমিশন সভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে বলে ঠিক হয়েছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইলট পর্যায়ে বাছাইকৃত ১৪টি উপজেলার প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড‑এ প্রথমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমানে সরকার এই উদ্যোগকে ধাপে ধাপে সমগ্র দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে, যাতে পরবর্তীকালে প্রতিটি উপজেলায় সুবিধাভোগীরা কার্ড পেতে পারে। ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য এই সহায়তা মাসে টাকা ২,৫০০ পর্যন্ত প্রদান করা হবে, যা বিশেষভাবে ওই পরিবারের নারীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বাড়াতে।
এই প্রকল্পটি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটি মূল অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণ নীতি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আশা করছে। কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করতে মাঠ পর্যায়ে জরিপ ও দরদরিদ্র, নিম্ন‑আয়ের পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যাতে কার্ড যথাযথভাবে প্রদেয় হয় এবং কোনরকম বৈষম্য না থাকে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাইলট পর্যায়টি চার মাস চলার পর এর ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং সফলতা প্রমাণিত হলে দেশের অন্যান্য উপজেলা ও ইউনিয়নেও এই কর্মসূচি দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে। এতে দেশের অসংখ্য পরিবার সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বিশেষত এমন পরিবারের জন্য যারা আজও অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির কারণে জীবিকায় কষ্টে ভুগছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকার দেশের দরিদ্র, প্রান্তিক ও নিম্ন‑মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগ শুরু করতে যাচ্ছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সভায় এটি চূড়ান্ত করে দেওয়া হয়েছে যে আগামী ১০ মার্চ ২০২৬ থেকে দেশের প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি উপজেলায় এই কার্ড বিতরণের পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। এতে কমিশন সভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে বলে ঠিক হয়েছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইলট পর্যায়ে বাছাইকৃত ১৪টি উপজেলার প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড‑এ প্রথমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমানে সরকার এই উদ্যোগকে ধাপে ধাপে সমগ্র দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে, যাতে পরবর্তীকালে প্রতিটি উপজেলায় সুবিধাভোগীরা কার্ড পেতে পারে। ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য এই সহায়তা মাসে টাকা ২,৫০০ পর্যন্ত প্রদান করা হবে, যা বিশেষভাবে ওই পরিবারের নারীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বাড়াতে।
এই প্রকল্পটি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটি মূল অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণ নীতি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আশা করছে। কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করতে মাঠ পর্যায়ে জরিপ ও দরদরিদ্র, নিম্ন‑আয়ের পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যাতে কার্ড যথাযথভাবে প্রদেয় হয় এবং কোনরকম বৈষম্য না থাকে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাইলট পর্যায়টি চার মাস চলার পর এর ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং সফলতা প্রমাণিত হলে দেশের অন্যান্য উপজেলা ও ইউনিয়নেও এই কর্মসূচি দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে। এতে দেশের অসংখ্য পরিবার সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বিশেষত এমন পরিবারের জন্য যারা আজও অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির কারণে জীবিকায় কষ্টে ভুগছে।

আপনার মতামত লিখুন